লিবিয়ায় মুয়ম্মর গদ্দাফির বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করা বিদ্রোহী বাহিনীর প্রধান অধিনায়ক আব্দেল ফত্তাহ ইউনিস-কে গত রাতে হত্যা করা হয়েছে. এ সম্বন্ধে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন বেনগাজিতে লিবিয়ার অন্তর্বর্তী জাতীয় পরিষদের প্রতিনিধিরা. সংবাদ সংস্থা “রয়টার” জানিয়েছে যে, আগে ইউনিসকে মার্সা-এল-ব্রেগা শহরের অঞ্চলে ফ্রন্ট লাইন থেকে বেনগাজিতে ডেকে পাঠানো হয় জেরার জন্য. বিপ্লবী জেনারেলকে সন্দেহ করা হচ্ছিল গদ্দাফির বাহিনীর সাথে গোপন আলাপ-আলোচনা চালানোর. অন্তর্বর্তী জাতীয় পরিষদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, ইউনিস-কে হত্যা করা হয়েছে এখনও অজানা পরিস্থিতিতে. অন্য তথ্য অনুযায়ী, তিনি নিহত হন গুলি বিনিময়ের সময়, যখন তাঁর মোটরগাড়ি পাতা ফাঁদে পড়েছিল. আব্দেল ফত্তাহ ইউনিস গদ্দাফির সরকারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন. লিবিয়ায় আন্দোলন শুরু হওয়ার পরে তিনি বিরোধী পক্ষে যোগ দেওয়া প্রথমদের মধ্যে ছিলেন এবং সশস্ত্র বাহিনীকে জনসাধারণের পক্ষ নেওয়ার আহ্বান জানান. লিবিয়ায় গৃহযুদ্ধ চলছে, কোনো পক্ষই তাতে সাফল্য অর্জন করতে পারছে না. বিদ্রোহীরা বৃহস্পতিবার ব্রেগা তেলের বন্দরে এবং টিউনিসিয়ার সীমানার কাছে অবস্থিত গেজাইয়া শহরে আক্রমণ চালিয়ে যাওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল. তা বিদ্রোহীদের ত্রিপোলির কাছাকাছি নিয়ে আসবে না, তবে মুয়ম্মর গদ্দাফিকে আরও একটি রক্ষিত ঘাঁটি থেকে বঞ্চিত করবে, “রয়টার” সংবাদ এজেন্সিকে বলেছে বিদ্রোহীরা. সামরিক কানাগলির পটভূমিতে আলাপ-আলোচনার প্রক্রিয়াও থেমে থেমে যাচ্ছে. তার আলোচনা হচ্ছে আফ্রিকান সঙ্ঘে, লিবিয়া সংক্রান্ত পশ্চিমী ও আরব দেশগুলির কনট্যাক্ট গ্রুপে, রাষ্ট্রসঙ্ঘে এবং দ্বিপাক্ষিক আলাপ-আলোচনায়. কিন্তু কর্ম-পরিকল্পনা এখনও পর্যন্ত সর্বসম্মত করা সম্ভব হয় নি. বুধবার বিদ্রোহী জাতীয় পরিষদের প্রধান মুস্তাফা আবুল জলীল বলেন যে, শাসন ক্ষমতা হস্তান্তরের বদলে দেশে থাকার অধিকার সম্পর্কে গদ্দাফিকে দেওয়া প্রস্তাবের মেয়াদ পার হয়ে গেছে. এ পরিকল্পনাটি ছিল সবচেয়ে আকাঙ্ক্ষিত, বলেন রাশিয়ার রাষ্ট্রপতির বিশেষ প্রতিনিধি মিখাইল মার্গেলোভ.