মার্কিন-যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহন করতে চায়. মার্কিনী কংগ্রেসের সামনে বক্তব্য রেখে এই উক্তি করেছেন বিদেশ সচিবের সাহায্যকারী মাইকেল পোজনার ও জেফ্রি ফেল্টম্যান. বিদেশ দপ্তরের প্রতিনিধিদের মতে, সিরিয়ায় চলতি ঘটনাবলী সম্পর্কে তথ্যসংগ্রহ এবং সরকারবিরোধী আন্দোলনকারীদের কূটনৈতিক সাহায্যদান হল এখনকার প্রধান কর্তব্য. সিরিয়ার সরকারকে সরাসরি বলা দরকার, যে শাসননীতি বদল করা প্রয়োজন. তবে মার্কিনী কুটনীতিবিদেরা মনে করেন, যে সিরিয়ায় ভবিষ্যতে কি ঘটবে, সেটা সে দেশের নাগরিকরাই ঠিক করবে. যখন সিরিয়াবাসীরা তাদের ভবিষ্যত নির্ণয় করবে, আমাদের আশা এই, যে সমস্ত উপজাতি ও ধর্মীয় সম্প্রদায়ের আশা-আকাঙ্খা সেখানে বিবেচিত হবে. মার্কিন-যুক্তরাষ্ট্র সহ গোটা বিশ্ব জনসমাজ সিরিয়াকে একটি অখন্ড দেশ হিসাবে দেখতে চায়, যেখানে মানবাধিকারকে সম্মান দেওয়া হবে এবং মানুষের সাম্য হবে মৌলিক সামাজিক নীতি – বলেছেন পোজনার ও ফেল্টম্যান.