ফিলিপাইন দক্ষিণ-চীনা সাগরের ওপর অধিকার নিয়ে বিতর্কমুলক প্রশ্নে আসিয়ান ও চীনের মধ্যে সমঝোতায় পৌঁছানোর ঘটনাকে স্বাগত জানিযেছে. ফিলিপাইনের রাষ্ট্রপতির প্রশাসনের তরফ থেকে এই ঘটনাকে সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে অভিহিত করা হয়েছে. গত বৃহস্পতিবার বালি দ্বীপে চীন ও আসিয়ানের সদস্য রাষ্ট্রগুলির পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা দক্ষিণ-চীনা সাগরে পারস্পরিক আচরণের মূলনীতি অনুমোদন করেছেন, যার মর্মার্থ হল- কোনোরকম বিতর্কের ক্ষেত্রে বলপ্রয়োগ করা থেকে বিরত থাকা এবং সব সমস্যার শান্তিপুর্ণ উপায়ে সমাধান করা.

গত দশবছর ধরেই চীন এবং এই এলাকার দেশগুলির মধ্যে এই মূলনীতি নির্দ্ধারণের ব্যাপারে আলাপ-আলোচনা চলছে. এই প্রক্রিয়া শুরু হয় ২০০২ সালের নভেম্বর মাসে নমপেনে, প্রত্যেক সংস্লিষ্ট দেশের আচরন সম্পর্কে গৃহীত ঘোষণাপত্র দিয়ে. দক্ষিণ-চীনা সাগর দিয়ে সারা বিশ্বের মোট সামুদ্রিক বাণিজ্যপণ্যের এক তৃতীয়াংশ পরিবাহিত হয়ে থাকে. আসিয়ান অন্তর্ভুক্ত দেশগুলি এই মূলনীতিকে আইনানুগভাবে বাধ্যতামুলক করতে বদ্ধপরিকর. অন্যদিকে বেজিং চায়, সেটা যেন ঘোষণাপত্রের পর্যায়ে থাকে. তাছাড়াও চীন দাবী করছে, যে সাগরের ওপর অধিকার নিয়ে বিতর্কের নিস্পত্তি যেন চীন ও আসিয়ানের মধ্যে নয়, বরং দ্বিপাক্ষিক পর্যায়ে হয়.