লিবিয়ার নেতা মুয়ম্মর গদ্দাফির শাসন ক্ষমতা থেকে সরে যাওয়ার বিষয়টি মস্কোয় রাশিয়া ও লিবিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাক্ষাতে আলোচিত হবে না. দু দেশের কূটনীতিজ্ঞরা তাছাড়া জামাহিরির নেতার আশ্রয়স্থল খোঁজার বিষয় নিয়ে আলোচনায় সময় নষ্ট করতে চান না. এ সম্বন্ধে “মস্কোভস্কিয়ে নোভস্তি” পত্রিকাকে প্রদত্ত ইন্টারভিউতে বলেছেন রাশিয়ায় লিবিয়ার রাষ্ট্রদূত অমীর আল-গরীব. জানানো হয়েছে যে, রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরোভ বুধবার মস্কোয় লিবিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দেল আতি আল-ওবেইদা-র সাথে সাক্ষাত্ করতে চান. এ সাক্ষাতে ঐ দেশের বর্তমান পরিস্থিতি এবং আফ্রিকান সঙ্ঘ ও রাষ্ট্রসঙ্ঘের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা আলোচিত হবে. অমীর আল-গরীব বলেন যে, লিবিয়ার আভ্যন্তরীন ব্যাপারে অন্য কোনো রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ করা উচিত নয় এবং তাদের এ অধিকার নেই. লিবিয়া বিপ্লবের নেতা মুয়ম্মর গদ্দাফি দেশ ত্যাগ করার পরিকল্পনা করছেন না এবং এ সম্বন্ধে কোনো প্রস্তাবও আলোচনা করছেন না, বলেন তিনি. লিবিয়ার বিরোধী জাতীয় পরিষদকে মস্কো এ দেশের আইনসঙ্গত শাসনক্ষমতা হিসেবে স্বীকার করে না, তবে তাকে লিবিয়া সঙ্ঘর্ষের একটি পক্ষ হিসেবে বিবেচনা করে. রাশিয়া মনে করে যে, সঙ্কট অতিক্রম করা উচিত রাজনৈতিক সংলাপের পথে. বেনগাজি ও ত্রিপোলির মাঝে আপোষ এখনও সম্ভব, এর প্রাক্কালে বলেছেন রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দমিত্রি মেদভেদেভ.