বৃটেনের “নিউজ অফ দ্য ওয়ার্লড” পত্রিকার শো-বিজনেস বিভাগের প্রাক্তন সম্পাদক শন হোর-কে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে, সোমবার জানিয়েছে “দ্য গার্ডিয়ান” বৃটিশ পত্রিকার ইন্টারনেট-সাইট. পত্রিকাটি মনে করিয়ে দেয় যে, হোর ছিলেন প্রথম, যিনি “নিউজ অফ দ্য ওয়ার্লড” পত্রিকার কর্মীদের টেলিফোনে আড়ি পাতার কথা জানতে পারেন. তিনিই প্রথম মার্কিনী “দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস” পত্রিকায় “নিউজ অফ দ্য ওয়ার্লড” পত্রিকার দ্বারা বিশিষ্ট বৃটিশ ব্যক্তিদের টেলিফোনে অননুমোদিত আড়ি পাতার অভিযোগ তোলেন. হোর-কে হার্টফোর্ডশায়ারে তাঁর বাড়িতে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়. শৃঙ্খলা রক্ষা সংস্থা আপাতত এ মৃত্যুর কারণ বলতে কাঠিন্য অনুভব করছে, তবে আড়ি পাতার ব্যাপারে সাংবাদিক ছিলেন সন্দেহের উপরে. এই আড়ি পাতার কেলেঙ্কারীর দরুণ অস্ট্রেলিয়ার মিডিয়া-মালিক রুপার্ট মের্ডকের “নিউজ অফ দ্য ওয়ার্লড” পত্রিকাটি বন্ধ করতে হয়. পদত্যাগ পত্র দিয়েছেন লন্ডনের “স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড” পুলিশ বিভাগের অধিকর্তা পল স্টিভেনসন এবং তাঁর সহকারী জন ইয়েইটস. বৃটিশ পার্লামেন্ট সদস্যরা তাঁদের ছুটি স্থগিত রেখেছেন, যাতে বুধবারের শুনানীতে এ বিষয়টি আলোচনা করা যায়. প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন, পার্লামেন্টে বক্তৃতা দেওয়ার জন্য নিজের আফ্রিকা সফর অর্ধেক হ্রাস করেছেন.