0রাশিয়ার দূর প্রাচ্যে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতির প্রতিনিধি ভিক্তর ইশায়েভ দক্ষিণ কুরিল দ্বীপপুঞ্জের জল-এলাকায় তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস সম্পদ মিলিতভাবে আয়ত্তে আনার জন্য জাপানকে প্রস্তাব দিচ্ছেন. এ সম্বন্ধে বুধবার নিজের সাইটে জানিয়েছে জাপানের “নিহন কেইদজাই” পত্রিকা. এ সম্পদ অবিলম্বে আয়ত্তে আনার কথা উঠছে না, তবে সেখানে খনিজ জ্বালানী নিষ্কাশনের জন্য সমস্ত প্রারম্ভিক পরিবেশ রয়েছে, বলেন ইশায়েভ. জাপানী প্রতিষ্ঠান ও পুঁজি যদি সেখানে না পৌঁছোয়, তাহলে অবশেষে সেখানে দেখা দেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও ব্রুনেইয়ের কোম্পানি. মিলিত কার্যকলাপ রুশ-জাপ সম্পর্কে নতুন প্রেরণা দেবে, যে সম্পর্কে একটি প্রশ্ন রয়েছে ভূভাগীয় বিতর্কের, বলেন তিনি পত্রিকাকে প্রদত্ত ইন্টারভিউতে. জাপান দাবি করছে রাশিয়ার চারটি দ্বীপের ( ইতুরুপ, কুনাশির, শিকোতান ও হাবোমাই দ্বীপের), ১৮৫৫ সালের বাণিজ্য ও সীমান্ত সংক্রান্ত দ্বিপাক্ষিক দলিলের উদ্ধৃতি দিয়ে. মস্কোর অবস্থান হল এই যে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফলের ভিত্তিতে দক্ষিণ কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সোভিয়েত ইউনিয়নের বিন্যাসে অন্তর্ভুক্ত হয়, যার ন্যায়সঙ্গত উত্তরাধিকারী হচ্ছে রাশিয়া. এ সব দ্বীপের উপর রাশিয়ার সার্বভৌমত্ব আন্তর্জাতিক বিধানিক পদ্ধতিতে সূত্রবদ্ধ, এবং তা সন্দেহের অবকাশ রাখে না. ২০১০ সালের নভেম্বরে ইতিহাসে প্রথম দক্ষিণ কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর করেন রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দমিত্রি মেদভেদেভ. জাপানের প্রধানমন্ত্রী নাওতো কান মেদভেদেভের সফরকে “অগ্রহণীয় অশিষ্টতা” বলে অভিহিত করেন. মস্কো উত্তরে ঘোষণা করে যে, কুরিল দ্বীপপুঞ্জের উপর রাশিয়ার সার্বভৌমত্ব পুনর্বিবেচনার অপেক্ষা রাখে না, এবং রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি নিজের কর্ম সফর করবেন টোকিওর প্রতিক্রিয়া নির্বিশেষে.