মিশরের ১৮টি বৃহত্তম পার্টির প্রতিনিধিরা কায়রো সাক্ষাতে সাধারণ গণতান্ত্রিক মঞ্চ গঠনের কথা ঘোষণা করেছে. মিশরের রাজনীতিজ্ঞরা ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্র, বাক্ স্বাধীনতা ও ধর্ম স্বাধীনতার প্রতি নিজেদের সমর্থনের কথা ঘোষণা করেছেন. তাঁরা পুনরায় বলেছেন যে তাঁরা সামাজিক ন্যায়, শাসন ক্ষমতার চক্রাকারে পরিবর্তন এবং স্বাধীন ও সত্ নির্বাচনের পক্ষে মত প্রকাশ করছেন. এ সব পার্টির মধ্যে আছে পরম্পরাগত বিরোধী পার্টি, যেমন লিবেরাল “ওয়াফ্দ” এবং বামপন্থী “তাগাম্মুয়া”, আবার “মুসলমান ভাই” আন্দোলন ও “আন-নুর” (স্যালাফাইট) পার্টি. কোয়ালিশনে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে নেই যুব আন্দোলন, যারা ব্যাপক গণ-আন্দোলন শুরু করেছিল, যার ফলে হোসনি মুবারকের শাসনের পতন ঘটে.