মস্কো থেকে পেত্রোজাভোদস্কে যাত্রা করা “রুসএয়ার” বিমান কোম্পানির “তু-১৩৪” মার্কা চার্টার বিমান গত রাতে দেশের উত্তর-পশ্চিমে কারেলিয়ার রাজধানীর বিমানবন্দরে নামার পথে দুর্ঘটনায় পড়েছে. এ বিমান দুর্ঘটনায় মারা গেছে ৪৪ জন. আটজন বেঁচে গেছে, তবে আঘাত পাওয়া ও আগুনে পুড়ে যাওয়ার জন্য তারা হাসপাতালে তত্পর চিকিত্সার বিভাগে রয়েছে. এদের মধ্যে সাতজনের অবস্থা সঙ্কটজনক, সাংবাদিকদের জানিয়েছেন রাশিয়ার বিপর্যয় নিরসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি. দুর্ঘটনা ঘটে পেত্রোজাভোদস্ক বিমানবন্দর থেকে ৭০০ মিটার দূরে রাস্তায় বিমানটির নামার সময়. মাটির সাথে ধাক্কা লাগার ফলে বিমানের ফিউজলেজ ভেঙ্গে যায় এবং আগুন ধরে যায়. তদন্ত বিভাগ দুর্ঘটনার সমস্ত কারণ বিবেচনা করছে. তার মধ্যে আছে বৈমানিকদের অথবা মাটিতে থাকা সার্ভিস বিভাগের ভুল, প্রযুক্তিগত দোষ-ত্রুটি ইত্যাদিও রয়েছে. রাশিয়ার “রসএভিয়াতসিয়া” বিভাগে জানানো হয়েছে যে, দুর্ঘটনায় পড়া “তু-১৩৪” বিমানটি অবতরণ করছিল জটিল আবহাওয়ার পরিবেশে. দুর্ঘটনার সম্ভাব্য একটি কারণ হিসেবে জটিল আবহাওয়ার পরিবেশের কথা উল্লেখ করেছেন পেত্রোজাভোদস্ক বিমানবন্দরের ডিরেক্টর জেনারেল আলেক্সেই কুজমিতস্কি. দুর্ঘটনার সময় পেত্রোজাভোদস্কের আশপাশ ঘন কুয়াশায় ঢাকা ছিল. বিমানের মালিক –“রুসএয়ার” বিমান কোম্পানিতে জানানো হয়েছে যে, যাত্রার আগে বিমানটির পর্যবেক্ষণ করা হয়, এবং প্রযুক্তির দিক থেকে সবকিছু ঠিকঠাক ছিল. পেত্রোজাভোদস্ক বিমানবন্দরে দুর্ঘটনায় পড়া বিমানটির নামার সময় মাটিতে বিমান নামানোর ব্যবস্থায় সমস্যা দেখা দিয়ে থাকতে পারে, “রুসএয়ার” কোম্পানিতে জানানো হয়েছে “ইন্টারফাক্স” সংবাদ সংস্থাকে. পেত্রোজাভোদস্ক বিমানবন্দরের ডিরেক্টর জেনারেল এ অনুমান সম্পর্কে মন্তব্য করতে অস্বীকার করেন যে, দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে মাটিতে বিমান নামানোর ব্যবস্থাটি নিভিয়ে রাখা হয়েছিল.