স্কোলকোভো উদ্ভাবনী কেন্দ্রের কার্যকরী পরিষদের প্রধান স্টিভেন লরেন্স গাইগের সেন্ট পিটার্সবার্গে আয়োজিত দ্বিতীয় যুব অর্থনৈতিক ফোরামে ঘোষণা করেছেন যে, বর্তমানে নির্মীয়মান উদ্ভাবনী কেন্দ্র ও নগরের নির্মাণের জন্য বিনিয়োগের পরিমান বেশ কয়েক গুণ বেড়ে যেতে পারে ব্যক্তিগত বিনিয়োগের জন্য.

    প্রশাসন মস্কো শহরের উপকন্ঠে আজ এই কেন্দ্র নির্মাণের জন্য প্রচুর অর্থ বিনিয়োগ করেছে. কিন্তু গাইগের মনে করেন যে, যা সরকার বিনিয়োগ করেছে, সেই প্রতিটি রুবলের উপরে ব্যক্তিগত মালিকানা কোম্পানী গুলির পক্ষ থেকে কম করে হলেও আরও একটি রুবল বা এমনকি দুই রুবল করেও বিনিয়োগ জমা হতে পারে.

বর্তমানে উদ্ভাবনী কেন্দ্র স্কোলকোভা তহবিলের তরফ থেকে ২৩টি চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে বিভিন্ন সহযোগী কোম্পানীর সঙ্গে, প্রকল্পে যোগ দিয়েছেন ৬০ টি স্থায়ী কোম্পানী ও পরবর্তী কলে এর সংখ্যা শুধু বাড়তেই থাকবে.

তহবিলের নেতৃত্ব এই জন্যই কাজ করছেন যাতে এই বছরের শেষের আগেই অংশ নেওয়া কোম্পানীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২০০, এই কথা বলে গাইগের যোগ করেছেন যে, রাশিয়াতে বৈজ্ঞানিক গবেষণার সঙ্গে বাজার অর্থনীতির চাহিদার যোগাযোগ কম, আর এই সমস্যা সমাধান করতে হবে. বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্রের সেই সমস্ত কর্মীদের সঙ্গে কাজ করে তাঁদের জন্য বিনিয়োগ কারী খুঁজে বের করতে হবে, যাতে এই সমস্ত সম্ভার বিক্রী করা যায়. পাশাপাশি বুদ্ধি প্রসূত সম্পত্তি সংরক্ষণ ইত্যাদিও স্কোলকোভো উদ্ভাবনী প্রযুক্তি কেন্দ্র থেকে করা হবে এক সারি পরিষেবা দিয়ে.

"এই পরিষেবা গুলি কি? শুরু করার জন্য এটা হবে আইন সঙ্গত পরামর্শ, বুদ্ধি প্রসূত সম্পত্তি সংরক্ষণ, হিসাব সংরক্ষণ ও বিনিয়োগ পর্যবেক্ষণ, যা প্রয়োজন হয়ে নিয়ন্ত্রণের জন্য. সেই সমস্ত পরিষেবা, যা আমরা দেবো, তা এই প্রযুক্তি পার্কের সঙ্গেই তৈরী করা হয়েছে, আজ রাশিয়ার বহু এলাকায় তা রয়েছে".

আরও একটি নতুন যোগ করা হয়েছে. স্ট্র্যাটেজিক কাজ কর্ম সাফল্যের সাথে করার জন্য এই বছরের শেষের আগেই একই নামের এক ভার্চুয়াল উদ্ভাবনী কেন্দ্র খোলা হবে, তা রাশিয়ার অর্থনীতির উন্নতির জন্য বিরাট ভূমিকা নেবে. ভার্চুয়াল স্কোলকোভা ইন্টারনেটের জন্য ব্যবস্থা তৈরী করবে, যা ব্যবহার করে রাশিয়ার ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন শহর থেকে এই কেন্দ্রের পরিকাঠামো ব্যবহার করে ব্যবসা করতে পারবেন. গাইগের উল্লেখ করেছেন যে, রাশিয়ার নেতৃত্ব খুবই খুঁটিয়ে বিশ্বের অন্য জায়গার উদ্ভাবনী কেন্দ্র গুলিকে দেখেছেন, তা যেমন ইউরোপে, সিঙ্গাপুরে, তেমনই বোস্টন শহরে.

"কিন্তু এমনকি প্রথম বার এই ধরনের প্রকল্পের সঙ্গে পরিচয় হওয়া মাত্রই বুঝতে পারা যায় যে, পাঁচটি কারণ রয়েছে অবশ্যম্ভাবী সাফল্যের জন্য.  স্কোলকোভা কেন্দ্রকে উদ্ভাবনী বিজ্ঞান নগরীতে পরিনত করতে হলে প্রয়োজন প্রথমতঃ, প্রতিভাশালী মানুষ – এটা সবচেয়ে বড় শর্ত. দ্বিতীয়তঃ, পরিকাঠামো, তৃতীয়তঃ – প্রযুক্তি, চতুর্থ হল – বিনিয়োগ ও পঞ্চম – প্রশাসনের রাজনীতি".

স্টিভেন গাইগের মনে করেন যে, আজ রাশিয়াতে স্কোলকোভা কেন্দ্রের মত এই ধরনের বিশাল সরকারি প্রকল্প রূপায়নের জন্য রাশিয়ার সমস্ত কিছুই রয়েছে.