শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার রাষ্ট্রনেতাদের পরিষদের সরকারী বৈঠক বুধবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে কাজাখস্তানের রাজধানীতে. এ শীর্ষ সাক্ষাত্ শাংহাই সহয়োগিতা সংস্থা গঠনের ঘোষণাপত্র স্বাক্ষরের দশম বার্ষিকীর প্রতি উত্সর্গীত. এ শীর্ষ সাক্ষাতে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দমিত্রি মেদভেদেভও অংশগ্রহণ করছেন. নির্ধারিত প্রথা অনুযায়ী, শীর্ষ সাক্ষাত্ শুরু হয়েছে সঙ্কীর্ণ বিন্যাসে, যাতে অংশগ্রহণ করছেন শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সদস্য রাষ্ট্রঃ কাজাখস্তান, কির্গিজিয়া, চীন, রাশিয়া, তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তানের নেতারা. তারপর পূর্ণাঙ্গ বৈঠকে তাঁদের সঙ্গে যোগ দেবেন এ সংস্থার পর্যবেক্ষক দেশগুলির – ভারত, ইরান, মঙ্গোলিয়া ও পাকিস্তানের প্রতিনিধি দলগুলির নেতারা. আশা করা হচ্ছে যে, ইরান ও পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করবেন রাষ্ট্রপতি মাহমুদ আহমাদিনেজাদ এবং আসিফ আলি জারদারী. তাছাড়া, কাজাখস্তানের সভাপতিত্বে আস্তানায় অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত হয়েছেন আফগানিস্তানের রাষ্ট্রপতি হামিদ কার্জাই এবং তুর্কমেনিস্তানের রাষ্ট্রপতি গুর্বানগুলি বের্দিমুহামেদোভ. রাশিয়ার রাষ্ট্রপতির সহকারী সের্গেই প্রিখোদকো সাংবাদিকদের জানান যে, এ শীর্ষ সাক্ষাতে পূর্বনির্ধারিত আলোচ্য-সূচি নেই, সাক্ষাতের অংশগ্রহণকারীরা যে কোনো জরুরী প্রশ্ন তুলতে পারেন. নেতারা আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সমস্যা নিয়ে মত-বিনিময় করবেন, বিশেষ করে, নিকট প্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার দেশগুলি এবং আফগানিস্তানকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি সম্পর্কে. তাছাড়া এ শীর্ষ সাক্ষাতে ২০১৬ সাল পর্যন্ত শাংহাই সহয়োগিতা সংস্থার নার্কোটিক বিরোধী নীতি এবং তা পুরণের কর্মসূচি অনুমোদিত হবে. আরও একটি দলিল স্বাক্ষরের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে – শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সদস্য রাষ্ট্রের স্থিতি পাওয়ার উদ্দেশ্যে আবেদনকারী রাষ্ট্রের বাধ্যবাধকতা সংক্রান্ত স্মারকলিপি. এ জয়ন্তীর প্রাক্কালে সর্বাধিক আলোচিত একটি বিষয় ছিল এ সংস্থার প্রসার. শাংহাই সহযোগিতা সংস্থায় যোগ দেওয়ার অভিপ্রায়ের কথা ঘোষণা করেছে ভারত, পাকিস্তান ও ইরান. পর্যবেক্ষকের স্থিতি পাওয়ার জন্য আবেদন করেছে আফগানিস্তান. একই সঙ্গে, আশা করা হচ্ছে যে, আস্তানায় শুধু এ সংস্থা প্রসারের বিধানিক প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হবে. শীর্ষ সাক্ষাতের প্রাক্কালে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতির সহকারী সের্গেই প্রিখোদকো উল্লেখ করেন যে, শাংহাই সহযোগিতা সংস্থায় নতুন সদস্য যোগ দেওয়ার পূর্বাভাষ তিনি দিচ্ছেন না.