শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার দেশগুলির নেতারা আস্তানায় পৌঁছোচ্ছেন. কাজাখস্তানের রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাসম্ভব বাড়ানো হয়েছে. ১২ই জুন থেকে আস্তানায় রয়েছেন চীনা গণপ্রজাতন্ত্রের সভাপতি হু জিনতাও. এর প্রাক্কালে হু জিনতাও রাষ্ট্রপতি নুরসুলতান নাজারবায়েবের সাথে আলাপ-আলোচনা চালান. নেতারা স্বাক্ষর করেন স্ট্র্যাটেজিক শরিকানার সর্বাত্মক বিকাশ সংক্রান্ত মিলিত ঘোষণাপত্র, এবং সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্রে সহযোগিতা সংক্রান্ত একসারি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি, সেই সঙ্গে পারমাণবিক এবং তেল ও গ্যাস ক্ষেত্রেও. মঙ্গলবার আস্তানায় পৌঁছোবে রাশিয়া, কির্গিজিয়া, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, ইরান, পাকিস্তান, ভারত ও আফগানিস্তানের প্রতিনিধিদল. এ সংস্থায় অন্তর্ভুক্ত কাজাখস্তান, কির্গিজিয়া, চীন, রাশিয়া, তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তান. এ সংস্থায় পর্যবেক্ষকের পর্যায়ে রয়েছে ভারত, ইরান, মঙ্গোলিয়া ও পাকিস্তান. এ শীর্ষ সাক্ষাতের আলোচ্যসূচিতে প্রধান প্রধান বিষয় হলঃ বিগত দশ বছরের সময়ে শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার কার্যকলাপের খতিয়ান টানা. ভবিষ্যত্ বিকাশের দিক নির্ধারণ, আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সমস্যাবলি সম্পর্কে মত-বিনিময়. একটি প্রধান আলোচ্য বিষয় হবে নার্কোটিকের বিরুদ্ধে সংগ্রাম. তাছাড়া এ শীর্ষ সাক্ষাতে শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সদস্য রাষ্ট্রের স্থিতি পাওয়ার উদ্দেশ্যে আবেদনকারী রাষ্ট্রের বাধ্যবাধকতা সংক্রান্ত স্মারকলিপি স্বাক্ষরের পরিকল্পনা আছে. এ দলিলটি শাংহাই সহযোগিতা সংস্থা প্রসারের জন্য বিধানিক ভিত্তি গঠন চালিয়ে যেতে সাহায্য করবে. কাজের পরবর্তী পর্যায় হল – সংস্থায় যোগদানকারী রাষ্ট্রগুলির জন্য সদস্য-পদের বিধানিক, সাংগঠনিক ও আর্থিক দিকগুলি সম্বন্ধে সহমতে আসা, আগে জানান প্রিখোদকো. তবে আস্তানা শীর্ষ-সাক্ষাতের ফলাফলের ভিত্তিতে শাংহাই সহযোগিতা সংস্থায় নতুন সদস্যের যোগদান সম্পর্কে কোনো পূর্বাভাষ তিনি দেন নি.