লিবিয়ার ভাগ্য নির্ধারণ করা উচিত্ লিবিয়ার জনগণের. এ সম্বন্ধে বলেছেন রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দমিত্রি মেদভেদেভ, ইতালির প্রধানমন্ত্রী সিলভিও বের্লুসকোনির সাথে আলাপ-আলোচনার ফলাফলের ভিত্তিতে রোমে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে. রাষ্ট্রপতি জোর দিয়ে বলেন, “রাশিয়া যথাসম্ভব সহায়তা করতে চায়, যাতে লিবিয়ার সমস্যা সামরিক উপায়ে নয়, আলাপ-আলেচনার পথে মীমাংসিত হয়”. এদিকে, ন্যাটো জোটের বিমান বাহিনী প্রতি রাতে লিবিয়ার রাজধানীতে বোমা বর্ষণ করছে. ন্যাটো জোটের বিমান বাহিনী ত্রিপোলিতে শুধু প্রশাসনিক এবং সামরিক লক্ষ্যের উপরই নয়, বাস-ভবনের উপরও আঘাত হানছে. ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে হাসপাতালগুলি, আর যেগুলি এখনও টিঁকে আছে, সেখানে ডাক্তারদের ভীষণ অভাব রয়েছে. এ সম্বন্ধে “তাস” সংবাদ সংস্থার সংবাদদাতাকে জানিয়েছেন ত্রিপোলিতে কর্মরত ইউক্রেনের ডাক্তাররা. তাঁদের কথায়, বাকি সমস্ত বিদেশী চিকিত্সা-কর্মীরা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরে লিবিয়া ছেড়ে চলে গেছে. ত্রিপোলির দোকান-পাটে যথেষ্ট খাদ্যদ্রব্য আছে, তবে তার মূল্য ভীষণ বেড়ে গেছে. পেট্রোলের তীব্র অভাব এক সমস্যা হয়ে উঠেছে.