২০২২ সাল নাগাদ পারমাণবিক বিদ্যুত্শক্তি সম্পূর্ণভাবে ত্যাগ করা সম্পর্কে জার্মানির সিদ্ধান্ত ফ্রান্স শ্রদ্ধা করে, তবে এ পথ অনুসরণের অভিপ্রায় তার নেই. ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী ফ্রাঁসুয়া ফিওন বলেন যে, কর্তৃপক্ষ “শান্তিপূর্ণ পরমাণুর” সাথে সমান্তরালভাবে “নির্মল” শক্তির উত্স বিকাশ করায় সাহায্য করে যাবে. ফ্রান্স ইউরোপে বিদ্যুত্শক্তির বৃহত্তম উত্পাদক ও সরবরাহকারী. বহুসংখ্যক পারমাণবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্র দেশের আভ্যন্তরীন চাহিদার ৭৮ শতাংশ পুরণ করে, জার্মানির মতো নয়, যেখানে পারমাণবিক বিদ্যুত্শক্তির উপর নির্ভরশীলতা ২০ শতাংশ. একই সঙ্গে, জাপানের “ফুকুসিমা-১” পারমাণবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্রে দুর্ঘটনা পারমাণবিক বিদ্যুত্শক্তির ভবিষ্যত্ সম্পর্কে বহু ফরাসী লোকের মনে গুরুতর সন্দেহ জাগিয়েছে.