রাশিয়ার ইন্টারনেট অর্থনীতি ২০১৫ সালে দ্বিগুণ হতে চলেছে – এই রকমের এক ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন বস্টন কনসাল্টিং গ্রুপ নামের আন্তর্জাতিক কোম্পানীর বিশ্লেষকেরা.

ইন্টারনেটের রাশিয়ার অর্থনীতিতে ভাগ ২০০৯ সালের সম্পূর্ণ ফলাফলের ভিত্তিতে দেখা গিয়েছে খুবই বেশী – প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার. এটা দেশের সার্বিক জাতীয় উত্পাদনের শতকরা ১, ৬ ভাগ. যদি এই শিল্প একই গতিতে বাড়ে তবে রাশিয়া এই সূচকে ইউরোপের নেতৃত্ব স্থানীয় দেশ গুলিকেও ছাড়িয়ে যাবে. তুলনামূলক ভাবে: ইতালির অর্থনীতিতে ইন্টারনেট সেক্টর – শতকরা ১, ৯ ভাগ.  আই টি বিশেষজ্ঞ মিখাইল জোনেনাশভিলি সেই সমস্ত কারণ গুলির ব্যাখ্যা করেছেন, যেগুলির জন্য রাশিয়ার ইন্টারনেট অর্থনীতি বৃদ্ধি পাবে:

"প্রথমতঃ, জনসাধারনের ব্যবহার বা ভোগের কারণে, আর রাশিয়া – অনেক বড় দেশ. অপারেটর কোম্পানী গুলি খুবই সক্রিয় ভাবে দেশের নানা অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে. ফলে ইন্টারনেট আরও ব্যবহার যোগ্য হয়ে পড়ছে. আর স্বাভাবিক ভাবেই তার ব্যবহার খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে. আর তাই ইন্টারনেট ব্যবসারও উন্নতি আশা করা যেতে পারে, যা প্রচলিত ব্যবসার জালকে হয়ত কোনঠাসা করবে".

বৈদ্যুতিন ব্যবসা – অর্থনীতির দিক থেকে খুবই লাভজনক মডেল. বহু ব্যবসা সংক্রান্ত কাজ ইন্টারনেটেই চলে যাবে, আর এর ফলে ব্যবহারকারীর সংখ্যাও দ্রুত বাড়বে. আজই রাশিয়ার লোকেরা প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলারের জিনিস ইন্টারনেট থেকে বেছে কিনছেন. আর ইন্টারনেট ব্যবহার করে ব্যবসার ভবিষ্যত পরিমান মূল্যায়ণ করে দেখা গিয়েছে বছরে তা প্রায় ৮২ বিলিয়ন ডলার.

ইন্টারনেট অর্থনীতির উপরে আরও প্রভাব বিস্তার করতে চলেছে এখানে সরকারি পরিষেবার উন্নতি, এই কথা মিখাইল জোনেনাশভিলি বিশ্বাস করেন. অবশ্যই তা ইন্টারনেট ব্যবসার মতো এত লাভজনক হবে না, কিন্তু ব্যবহারকারীদের এই বিষয়ে চাহিদা বাড়তেই থাকবে. বৈদ্যুতিন প্রশাসন, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে পরিষেবা দেওয়া ও তথ্য প্রচার হবে বলে মনে করা হচ্ছে, তা ২০১৪ সালেই সম্পূর্ণ ভাবে কাজ করার কথা.

সুতরাং বস্টন কনসাল্টিং গ্রুপের ভবিষ্যদ্বাণী সম্পূর্ণভাবেই ফলতে পারে, আর রাশিয়ার সার্বিক জাতীয় আয়ের আগামী বছর গুলিতে ইন্টারনেট অর্থনীতির পরিমান ৩, ৭ শতাংশ অতিক্রম করতেই পারে, যার মানে হবে যে, তা গ্রেট ব্রিটেন, সুইডেন ও ডেনমার্কের সূচকের কাছে পৌঁছে যাবে.