রাশিয়া এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশ গুলিতে হেলিকপ্টার সরবরাহ বাড়াচ্ছে. বর্তমানে এই অঞ্চলে প্রায় দেড় হাজার রুশ নির্মিত হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে, তার কারণ হয়েছে ভরসা যোগ্যতা, বহু দূর একটানা ওড়ার ক্ষমতা, বেশী মাল পরিবহনের ক্ষমতা. প্রধান ক্রেতা দেশ গুলি চিন, ভারত, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া.

    মস্কোতে হেলি- রাশিয়া ২০১১ প্রদর্শনী শুরু হওয়ার আগে রাশিয়ার হোল্ডিং কোম্পানী রুশ হেলিকপ্টার ঘোষণা করেছে যে, তারা বর্তমানে তৈরী আছে বিদেশী সহকর্মীদের সঙ্গে কাজের ধারা বদলাতে ও শুধু বিক্রী করার বদলে, বিক্রয় থেকে শুরু করে হেলিকপ্টারের সমগ্র ব্যবহারের সময়ে দেখাশোনা ও পরে তা নতুন তৈরীর জন্য ধাতব মণ্ডে পরিনত হওয়া অবধি সম্পূর্ণ বিবর্তন চক্র পরিষেবা দিতে. বর্তমানের বিশ্বে এটাই নিয়ম ও রুশ কোম্পানীও তা মানবে. এই ধরনের পরিষেবা যে দরকার সে বিষয়ে একমত হয়ে আবারোনপ্রম কোম্পানীর জেনেরাল ডিরেক্টর আন্দ্রেই রেউস বলেছেন:

    "আগে রাশিয়া থেকে শুধু অনেক হেলিকপ্টার পাঠানোই হত, বর্তমানে আমাদের সহকর্মীরা আসা করেন যে, আমরাও সম্পূর্ণ পরিষেবা দেবো, আর আমরা তাই দিচ্ছিও. আমাদের এর মধ্যেই এই ধরনের বড় চুক্তি হয়েছে. খুব শীঘ্রই যেমন ভারতে শুরু হবে যৌথ কোম্পানীর পক্ষ থেকে পরিষেবা দেওয়া, সেখানে শুধু শেষ জোড়া দেওয়ার কাজই করা হবে না, বরং ভারতের বাজার থেকে অন্যান্য আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের কথা ভাবা হয়েছে".

এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে এই কোম্পানীর যন্ত্র বিক্রয়ের প্রসারের জন্য ভারত ছাড়াও ভিয়েতনামে একই ধরনের যৌথ কোম্পানী খোলার সিদ্ধান্ত হয়েছে. আরও অন্যান্য দেশেও খোলার কথা রয়েছে. এই কথা উল্লেখ করে রুশ হেলিকপ্টার কোম্পানীর জেনেরাল ডিরেক্টর দিমিত্রি পেত্রভ বলেছেন:

    "আমাদের চিন নিয়েও বড় পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে এই বছরেই আমরা পরিষেবা কেন্দ্র খুলছি. আমাদের আমেরিকার সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে নিকট প্রাচ্যে পরিষেবা কেন্দ্র খোলার. এখন আর কোন গোপন কথা নয় যে, ন্যাটো জোট ইরাক ও আফগানিস্তানে ব্যবহারের জন্য রুশ হেলিকপ্টার ব্যবহার করে. তাছাড়া সেখানে এখনও সোভিয়েত সময়ে দেওয়া বহু বিমান প্রযুক্তি রয়েছে, যা পরিষেবা করার দরকার. তাই আমরা বর্তমানে বহু দেশের সঙ্গেই সম্পূর্ণ বিবর্তন চক্র পরিষেবা নিয়ে আলোচনা করছি. তার মধ্যে বৃহত্তম মার্কিন কোম্পানীও রয়েছে. যারা আমাদের সাথে একসাথে এই বাজারে কাজ করতে চেয়েছে. আমি মনে করি এই বছরেই ইতিবাচক সিদ্ধান্তে পৌঁছে, চুক্তি করা সম্ভব হবে".

    ২০০৭ সালে তৈরী হোল্ডিং কোম্পানী রুশ হেলিকপ্টার বিশ্বের প্রায় তের শতাংশ হেলিকপ্টারের বাজার দখল করে রেখেছে.