“ফুকুসিমা – ১” কেন্দ্রের নীচের জায়গা গুলি ও জল নিষ্কাষণের প্রণালীতে ৮৭, ৫ টন তেজস্ক্রিয় জল জমে গিয়েছে. এর আগে কর্মীরা অস্থায়ী এক জল সঞ্চয়ের জায়গাতে জল পাম্পের মাধ্যমে নিকাশের ব্যবস্থা করেছিল. এই পারমানবিক ভাবে তেজস্ক্রিয় জল নিকাশ করা দরকার, যাতে কেন্দ্রে মেরামতের কাজ করা সম্ভব হয়, আর তারই সঙ্গে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় রিয়্যাক্টরের ভিতরে জল ঢেলে তাপ মাত্রা বেড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করা যায়. এর ফলে পরিবেশে বিকীরণ কমানো সম্ভব.

   “ফুকুসিমা – ১” পারমানবিক কেন্দ্রের চারপাশে একই সঙ্গে ঠিক করা হয়েছে জুন মাসের মধ্যে আবার সুনামির ঢেউ এলে তার থেকে রক্ষা করার জন্য লোহার জালের মধ্যে পাথরের টুকরো ভরে ১০ মিটার উঁচু বাঁধ দেওয়ার, কারণ ভূকম্প বিদেরা আবারও বড় ভূমিকম্পের সম্ভাবনাকে বাদ দিতে পারেন নি, বর্তমানে নিয়মিত ছোট মাপের ভূমিকম্প চালু থাকায়. 

   ১১ মার্চ শুরু হওয়া বিপর্যয়ের বিশ্লেষণ থেকে বোঝা সম্ভব হয়েছে যে, প্রধান ক্ষতি হয়েছিল সুনামি থেকেই.