লিবিয়াতে স্থলপথে প্রবেশের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার শুধু রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদেরই রয়েছে. এই বিষয়ে ঘোষণা করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রধান সের্গেই লাভরভ. তাঁর কথামতো, স্থলপতে অনুপ্রবেশের জন্য প্রস্তুতি যে চালু রয়েছে, এই খবর আসছে, প্রসঙ্গতঃ, তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এই ধরনের পরিকল্পনা ন্যাটো জোট ও ইউরোপীয় সংঘেও তৈরী করা হচ্ছে. লাভরভ একই সঙ্গে প্রবল আপত্তি করেছেন লিবিয়ার পরিস্থিতি থেকে আরব দেশ গুলির লীগ ও আফ্রিকার দেশ গুলির সংঘকে আলাদা করার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে. রাশিয়ার পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রধান উল্লেখ করেছেন যে, আফ্রিকা সংঘ ও আরব লীগের অবস্থানকে বাদ দিয়ে লিবিয়া নিয়ে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে কোনও নতুন সিদ্ধান্তের প্রকল্প নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা খুবই কম.

0    ফেব্রুয়ারী মাসের মাঝামাঝি বিগত ৪০ বছর ধরে দেশকে শাসন করা নেতা গাদ্দাফিকে পদত্যাগ করার দাবী নিয়ে লিবিয়াতে গণ বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল, যা পরে সরকারি ফৌজ ও প্রতিপক্ষের যোদ্ধাদের মধ্যে সশস্ত্র প্রতিরোধে পরিবর্তিত হয়েছিল. ১৯শে মার্চ থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স ও আরও কয়েকটি দেশের বিমান বহর মুহম্মর গাদ্দাফির সেনা বাহিনীর অবস্থানের উপরে ব্যাপক হারে বোমা বর্ষণ চালু করেছে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্তে এই দেশে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করার নামে ও সেখানে “উড়ান বিহীণ এলাকা” তৈরী করে জনসাধারনকে রক্ষা করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে.