জাপান “ফুকুসিমা-১” পারমাণবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্রে সঙ্কট অতিক্রমে চের্নোবিলের অভিজ্ঞতা বিবেচনা করছে, বিশেষ করে, লোকেদের অপসারণের এলাকার সীমানা নির্ধারণের জন্য. চের্নোবিল বিপর্যয়ের ২৫ বছর উপলক্ষ্যে এ সম্বন্ধে বলেছেন জাপানের মন্ত্রীপরিষদের প্রধান সচিব ইউকিও এদানো. সেই সঙ্গে রাজনীতিজ্ঞ জোর দিয়ে বলেন যে, “ফুকুসিমা-১” দুর্ঘটনার “মূলনীতিগত পার্থক্য আছে চের্নোবিল পারমাণবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্রে বিপর্যয়ের তুলনায়”. জাপানের বিদ্যুত্ কেন্দ্রে তেজষ্ক্রিয় বস্তুর নির্গমণের পরিমাণ চের্নোবিলে সূত্রবদ্ধ পরিমাণের এক দশমাংশ, আর তেজষ্ক্রিয় মলিনতার এলাকাও যথেষ্ট কম. যদিও উভয় বিপর্যয়কে পারমাণবিক দুর্ঘটনার আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী বিপদের সর্বোচ্চ সপ্তম পর্যায় দেওয়া হয়েছে. অবশ্য বেশির ভাগ বিশেষজ্ঞ মনে করেন যে, “ফুকুসিমা-১” ক্ষেত্রে এমন মূল্যায়ন – বাড়ানো.