ন্যাটো জোটের বিমান বাহিনী গত রাতে ত্রিপোলিতে লিবিয়ার নেতা মুয়ম্মর গাদ্দাফির বাসভবনের অঞ্চলে আঘাত হেনেছে. তিনটি ভবন গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে. ৪৫ জন আহত হয়েছে, জানিয়েছে “রয়টার” সংবাদ সংস্থা. একটি ভবনের ছাদ, যেখানে গাদ্দাফি পরামর্শ বৈঠক চালাচ্ছিলেন, ভেঙ্গে পড়েছে. ন্যাটো জোটের বিমান বাহিনী তাঁর বাসভবনের অঞ্চলে এই প্রথমবার বোমা বর্ষণ করছে না. আরব প্রচার মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, মুয়ম্মর গাদ্দাফি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা মাটির তলার বাঙ্কারে লুকিয়ে আছে. পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ অস্ত্র সমর্পণের জন্য গাদ্দাফির কাছে দাবি করছে. এর প্রাক্কালে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরোভ লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী আল-বাগদাদি আলি আল-মাহমুদির সাথে টেলিফোনে আলাপ-আলোচনা করেন. রাশিয়ার কূটনীতিজ্ঞ বলেন যে, এখন প্রধান বিষয় হল – লিবিয়ার শান্তিপূর্ণ অধিবাসীদের রক্তক্ষয় ও দুঃখ-কষ্ট থামানো. এর জন্য রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত নিঃশর্তে পালন করা দরকার, অবিলম্বে অগ্নি সংবরণ সুনিশ্চিত করা দরকার এবং সর্বপ্রথমে মিসুরাত ও অন্যান্য বসতি কেন্দ্রের উপর আঘাত হানা বন্ধ করা দরকার,- খবরে উদ্ধৃত করা হয়েছে মন্ত্রীর কথা.