ন্যাটো জোটের বিমান বাহিনী লিবিয়ায় নতুন নতুন আঘাত হেনেছে. দেশের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে যে, বোমাবর্ষণের লক্ষ্যস্থল, আবার ছিল বেসামরিক ভবন. এদিকে গাদ্দাফির বাহিনী বিদ্রোহীদের দ্বারা দখলিত শহরগুলির উপর গোলাবর্ষণ পুনরারম্ভ করেছে. মিসুরাত শহর থেকে সশস্ত্র সঙ্ঘর্ষের খবর আসছে. বহু লোক আহত হয়েছে, স্থানীয় হাসপাতালে জায়গা একেবারেই নেই. আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি জামাহিরি সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ত্রিপোলিতে নিজের প্রতিনিধি দপ্তর খোলার কথা ঘোষণা করেছে, মিসুরাতে শান্তিপূর্ণ অধিবাসীদের সাহায্যের জন্য বিশেষজ্ঞদের দল পাঠিয়েছে. অগ্নি সংবরণ সম্পর্কে আফ্রিকীয় সঙ্ঘের প্রস্তাব লিবিয়ার জাতীয় অন্তর্বর্তী পরিষদের দ্বারা প্রত্যাখানের কয়েক ঘন্টা পরেই লড়াই পুনরারম্ভ হয়. আগে আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদলের শান্তি উদ্যোগ গাদ্দাফি সমর্থন করেছিল. বিরোধীপক্ষ জোর দিচ্ছে যে, গাদ্দাফিকে সরে যেতে হবে, অন্যথায় যুদ্ধবিরতির কথাও উঠতে পারে না. ১৯শে মার্চ পশ্চিমী দেশগুলি গাদ্দাফির বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করেছিল. রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে সিদ্ধান্ত নিয়ে ভোটদানের সময় রাশিয়া ভোটদান থেকে বিরত থাকে, যা গাদ্দাফির বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদেশী সামরিক কার্যকলাপ চালানোর সুযোগ দেয়.