লিবিয়ার বিরুদ্ধে ১৯ মার্চ বিকেলে শুরু হওয়া পশ্চিমা বাহিনীর বিমান হামলা  ক্রমশ আরও শক্তিশালী হচ্ছে.এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন অডিসি ডোন’.ফ্রান্সের সামরিক বাহিনীর সাথে যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য লিবিয়ায় ১০০-এরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে.পশ্চিমা বাহিনী জানিয়েছে যে, তারা লিবিয়ায় বিমান ঘাঁটি ধ্বংস করবে.ওদিকে লিবিয়ার প্রশাসন দেশের অবকাঠামো ও নিরীহ লোকের প্রানহানির খবর প্রকাশ করেছে.২০ মার্চ পশ্চিমা বাহিনী লিবিয়ায় নৌঘাঁটি স্থাপন করেছে.যেখানে অন্তত ২০টি যুদ্ধ জাহাজ বিভিন্ন ধরনের সামরিক রসদ সরবরাহ করেছে.লিবিয়ায় মোট ৩টি পর্যায়ে পশ্চিমা বাহিনীর হামলা পরিচালিত হবে.প্রথম ধাপটি ইতিমধ্যে গতকাল শনিবার শুরু হয়েছে.মোট ৩১টি লক্ষ্যবস্তুর উপর এই হামলা চলবে.মূলত প্রধান লক্ষ্য থকবে লিবিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করা.২য় পর্যায়ে লিবিয়ার বিমান ঘাঁটিসমূহে এবং রাজধানী ত্রিপোলিতে মুহাম্মর গাদ্দাফির বাসভবনে হামলা চালানো হবে.সর্বশেষ পর্যায়ে যৌথবাহিনী লিবিয়ার সামরিক শক্তির বিরুদ্ধে হামলা করবে.

উল্লেখ্য,জাতিসংঘের‘ নো ফ্লাই জোন’ও যুদ্ধ বন্ধ ঘোষণার প্রস্তাব না মেনে নেওয়ার পরই লিবিয়ায় পশ্চিমা বাহিনীর বিমান হামলা চালানো হয়.লিবিয়ায় সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য প্যারিসে অনুষ্ঠিত বৈঠকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের নেওয়া সিদ্ধান্তকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন,আরব বিশ্ব ও জাতিসংঘের প্রতিনিধিরা সমর্থন জানিয়েছে.