ক্রমেই বেশিসংখ্যক দেশ মুয়াম্মার গাদ্দাফির শাসনকে বেআইনী বলে অভিহিত করছে এবং বিরোধীদের পক্ষ নিচ্ছে. যেমন ১০ই মার্চ সন্ধ্যায় লিবিয়া সংক্রান্ত বিবৃতি দিয়েছে পারস্য উপসাগরের আরব রাষ্ট্রগুলির পরিষদ. এতে অন্তর্ভুক্ত বাহরেন, কাতার, কুয়েত,সংযুক্ত আরব এমীরতন্ত্র, ওমান ও সৌদি আরব. তারা মনে করে গাদ্দাফির শাসন অবৈধ এবং বিরোধী পক্ষের গঠিত জাতীয় পরিষদের সাথে সম্পর্ক স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার কথা বলছে. প্যারিসের পরে লিবিয়ার বিদ্রোহীদের সমর্থন করার অভিপ্রায়ের কথা ঘোষণা করেছে লন্ডন. উপরন্তু, ফরাসী রাষ্ট্রপতি নিকোল্যা সার্কোজি এবং বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন নিজেদের ইউরোপীয় শরিকদের আহ্বান জানাচ্ছেন তাঁদের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করতে এবং জাতীয় পরিষদের বিরোধীপক্ষকে ত্রিপোলির একমাত্র আইনসঙ্গত প্রতিনিধি হিসেবে স্বীকৃতি দিতে. ১৫ই ফেব্রুয়ারী থেকে লিবিয়ায় কর্তৃপক্ষের সাথে বিরোধীপক্ষের কঠোর সঙ্ঘর্ষ চলছে, যারা ৪২ বছর ধরে দেশ শাসন করা মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে অপসারণ করার চেষ্টা করছে. বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, সঙ্ঘর্ষের ফলে ২ থেকে ৬ হাজার লোক নিহত হয়েছে.