মুহম্মর গাদ্দাফির সমর্থক শক্তি এজ- জাউইয়া শহর ছেড়ে চলে গিয়েছে, ব্রিটেনের সংবাদ মাধ্যম উপস্থিত লোকেদের পাঠানো খবর বলে জানিয়েছে. বিরোধী পক্ষের হাতে চলে যাওয়া শহর গাদ্দাফি চেয়েছিলেন যুদ্ধ করে দখল করতে, সেখানে পাঠিয়েছিলেন সেনা বাহিনী ও আফ্রিকা থেকে ভাড়াটে সেনা. কিন্তু শহর দখল করা সম্ভব হয় নি. দেশের পূর্বে আঝাবিয়া শহরে পুলিশ ও সেনা বাহিনী বিরোধী পক্ষে যোগ দিয়েছে. বেনগাজি শহরে গাদ্দাফি তার ছোট ছেলে সৈফ আল – আরবকে পাঠিয়েছিলেন বিক্ষোভ দমন করতে, ইরানের টেলিভিশন জানিয়েছে যে, সেও বিরোধী পক্ষে যোগ দিয়েছে, দেশের প্রধান অভিশংসক প্রশাসনের নৃশংস ভাবে বিক্ষোভ দমন করার প্রতিবাদ করে পদত্যাগ করেছেন. এর আগে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে মতের মিল না হওয়াতে পদত্যাগ করেছেন আইন মন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী.

    ইজিপ্টে গণ অভ্যুত্থানের পরেই লিবিয়াতে গণ্ডগোল বাঁধে, হোসনি মুবারক পদত্যাগ করার পরে তা আরও সঙ্গীণ হয়ে ওঠে. ২০১১ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারী গণ বিক্ষোভ উত্তাল হয়ে ওঠে, বিভিন্ন উত্স থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী লিবিয়াতে এই বিক্ষোভের দিন গুলিতে ৩০০ থেকে ১০০০ জন প্রাণ হারিয়েছেন.