রাশিয়া ও বাংলাদেশ রাজধানী "ঢাকা শহরে এই দেশের উত্তর পশ্চিমে ২০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন দুটি রিয়্যাক্টর ব্লক সমেত পারমানবিক বিদ্যুত শক্তি কেন্দ্র নির্মাণের বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক প্রশাসনিক চুক্তির বয়ান বিষয়ে সহমতে পৌঁছেছে" বলে রসঅ্যাটম সংস্থার প্রতিনিধি ও তথ্য জনসংযোগ দপ্তরের অধ্যক্ষ সের্গেই নভিকভ তাস সংস্থার সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলার সময়ে জানিয়েছেন. এর আগে বহু সংবাদ মাধ্যমে এই ধরনের চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছিল বলে খবর প্রকাশ করা হয়েছিল.

    নভিকভ বলেছেন যে, দ্বিপাক্ষিক প্রশাসনিক চুক্তির বয়ান বিষয়ে সহমতে পৌঁছনোর অর্থ হল দুই পক্ষই এই দলিলের বয়ানের বিষয়ে সম্পূর্ণ একমত ও কোন রকমের পরবর্তী কালে পরিবর্তনের প্রয়োজন পড়বে না. রসঅ্যাটম সংস্থায় একই সঙ্গে নিশ্চিত করে বলা হয়েছে যে, "এই চুক্তির ফলে এই দেশে প্রথম দুটি পারমানবিক রিয়্যাক্টর সমেত রুশ প্রকল্প অনুযায়ী পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্র স্থাপন করা হবে". নভিকভ জানিয়েছেন যে, "এই চুক্তি আগামী এপ্রিল মাসে বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী হাসিনা ওয়াজেদের সম্ভাব্য রাশিয়া সফরের সময়ে স্বাক্ষরিত হবে বলে মনে করা হয়েছে". বাংলাদেশের সরকারি উত্স থেকে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই বিদ্যুত কেন্দ্রের দাম ঠিক করা হয়েছে ২ বিলিয়ন ডলারের মতো. নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা ২০১৭ -১৮ সালে.

    বাংলাদেশ বিদ্যুত্শক্তি বিষয়ে যথেষ্ট অভাব বোধ করেছে. এই দেশের ষোল কোটি মানুষের মধ্যে শুধু মাত্র শতকরা ৪৫ ভাগ বিদ্যুত্শক্তি ব্যবহার করতে পারেন বললেই এই অভাব সম্বন্ধে যথেষ্ট বোঝা সম্ভব. বাংলাদেশের অর্থনীতির বিদ্যুত্শক্তি সম্পূর্ণ অভাবের ও নিয়মিত সরবরাহের অভাবে কারণে ক্ষতির পরিমান বিশেষজ্ঞদের মূল্যায়ণে প্রতি বছরে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার.