রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দিমিত্রি মেদভেদেভ রাশিয়ার লোকসভাতে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ গুলির সঙ্গে মৈত্রী ও সহযোগিতা সংক্রান্ত চুক্তিতে পরিবর্তিত প্রোটোকল গ্রহণের জন্য প্রস্তাব করেছেন. এই দলিল সংক্রান্ত বিষয়ে তথ্য লোকসভার সাইটে পাওয়া যেতে পারে. ২০১০ সালের ২২শে জুলাই এই প্রোটোকল ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয় শহরে স্বাক্ষরিত হয়েছিল. গত বছরের অক্টোবর মাসে রাশিয়া- আসিয়ান দেশ গুলির পররাষ্ট্র মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের পরে রাশিয়ার পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রধান সের্গেই লাভরভ উল্লেখ করেছিলেন যে, বালি চুক্তির তৃতীয় প্রোটোকল শুধু আলাদা দেশকেই এই চুক্তিতে অংশ গ্রহণ করার সুযোগ দেয় না, বরং সম্মিলিত সংস্থা গুলির সামনেও এমনই সুযোগ করে দিয়েছে. এই প্রসঙ্গে মন্ত্রীর কথামতো, রাশিয়ার সহযোগী দেশ গুলি আগ্রহ প্রকাশ করেছে আসিয়ান ও সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরী করার. লাভরভ জানিয়েছেন যে, এই বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা এই বিষয়ে পরিকল্পনা পেশ করেছেন ও মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার শেষ অধিবেশনে আসিয়ান সংস্থার উপ সাধারন সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন. ১৯৭৬ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী বালি শহরে মৈত্রী ও সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল – এই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশ গুলির মধ্যে আসিয়ান সংস্থা স্রষ্টা দেশ গুলিও রয়েছে. এই দলিলে সেই সমস্ত নীতির কথা বলা হয়েছে, যেমন, সার্বভৌমত্ব স্বীকার, সাম্য ও সমস্ত দেশের সীমান্ত সংরক্ষণ, বিরোধের শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে মীমাংসার প্রচেষ্টা ইত্যাদি. বর্তমানে আসিয়ান সংস্থার সদস্য দশটি দেশ ছাড়াও এই চুক্তির মধ্যে আরও ষোলটি দেশ ও এলাকা রয়েছে, যাদের মধ্যে রাশিয়া, ভারত ও চিন রয়েছে.