এই শহরগুলির প্রধানেরা, তাদের বাসিন্দাদের পুরুষকার, দৃঢ়তা ও গণ বীরত্ব প্রকাশ, যা তাঁরা পিতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য প্রদর্শন করেছিলেন, তার জন্য পিতৃভূমি রক্ষী দিবস উত্সবের দিনে আজ রাশিয়ার রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে মানপত্র ও স্বীকৃতী পেয়েছেন. বন্দর শহর ভ্লাদিভস্তক বিগত দেড়শ বছর ধরেই সুদূর প্রাচ্যে রাশিয়ার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক সুরক্ষা স্থল হয়ে রয়েছে. ১৯০৪ – ০৫ সালে এই শহরের খুব কাছেই রুশ – জাপান যুদ্ধ হয়েছিল. এই শহর থেকে মহান পিতৃভূমি রক্ষার যুদ্ধে যোগ দিতে ফ্রন্টে গিয়েছিলেন ৭০ হাজারেরও বেশী লোক. তভের বিগত ৯০০ বছর ধরে বিদেশী আগ্রাসীদের বিরুদ্ধে বিশেষত মঙ্গোল – তাতার, পোলিশ, ফ্যাসিস্ট জার্মান সেনা বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এসেছে. ১৯৪১ সালের ডিসেম্বর মাসে এই শহরের লোকেরা প্রথম ফ্যাসিস্ট সেনা বাহিনীকে যুদ্ধ করে সরিয়ে দেয় ও প্রতি আক্রমণ করে. তিখভীন, লেনিনগ্রাদ অঞ্চলের একটি ছোট শহর হলেও দীর্ঘ দিনের সেনা বাহিনীর ঐতিহ্য বহন করে. ১৬১৩ সালেই এই শহরের লোকেরা সুইডেনের বাহিনীর ধাক্কাকে প্রতিহত করেছিল. ১৯৪১ সালের ডিসেম্বর মাসে সেখান থেকে শুরু হয়েছিল জার্মান বাহিনীকে প্রতি আক্রমণ, যার ফলে হিটলারের বাহিনীর লেনিনগ্রাদ কে সম্পূর্ণ ভাবে ঘিরে ফেলার পরিকল্পনা নষ্ট হয়ে যায়, বহুল পরিমানে নাত্সী সেনা ও সাঁজোয়া গাড়ী এই অঞ্চলে মস্কো উপকণ্ঠ আক্রমণের আগে হারাতে বাধ্য হতে হয়েছিল.