রাশিয়া বিশ্বে প্রথম দেশ হতে পারে, যারা পঞ্চম প্রজন্মের হেলিকপ্টার তৈরী করেছে. একই ধরনের প্রকল্প মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও রয়েছে, কিন্তু যদি রুশ নির্মাতাদের কথা বিশ্বাস করা যায়, তবে আমেরিকার লোকেরা এখনও কাগজে কলমে হিসাবের বাইরে এগোতে পারে নি, আর কোন রকমের আর্থিক অনুদানও পায় নি. এমনকি পঞ্চম প্রজন্মের হেলিকপ্টার কথাটিও রাশিয়া সম্ভবতঃ প্রথম ব্যবহার করেছে. নতুন যন্ত্রের প্রযুক্তিগত গুণাবলীর বর্ণনা এখনও সঠিক করে বলা হয় নি, কিন্তু যারা এই নির্মাণের কাছের লোক, তারা বলছেন যে, এখন খুবই সক্রিয় ভাবে পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধোপযোগী হেলিকপ্টার বানানোর কাজ হচ্ছে. এই কাজে কামোভ হেলিকপ্টার নির্মাণ ব্যুরো অংশ নিয়েছে. বিশেষজ্ঞদের কথামতো, "নতুন এই হেলিকপ্টারের প্রয়োজনীয় গুণ গুলি সেই সমস্ত সামরিক প্রয়োজনের কথা ভেবে করা হবে, যা আগামী ১০ -১৫ বছরে রাশিয়ার প্রয়োজন".

    প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী যে সমস্ত গুণ আশা করা হবে, তা হল: দ্রুত ওড়ার ক্ষমতা, সোজা মাটি থেকে উপরে ওটা নামা করার ক্ষমতা, আড়াল থেকে গুলি, গোলা বর্ষণের ক্ষমতা, যে কোন রকমের আবহাওয়া এবং দিনে রাত্রের যে কোন সময়ে যুদ্ধের কাজ করার ক্ষমতা, শত্রুকে খুঁজে বের করার ক্ষমতা, বহু লড়াই এর পরও টিকে থাকার ক্ষমতা, সব রকমের লক্ষ্য করার মতো অপ্টিক, রাডার ও ইনফ্রা রেড ডিটেকশন সিস্টেমে অদৃশ্য থাকার ক্ষমতা এবং ইঞ্জিনের আওয়াজ কমানো. মিলিয়া হেলিকপ্টার নির্মাণ কোম্পানীর প্রধান ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার বলেছেন যে, এই ধরনের হেলিকপ্টার মাটি থেকে সোজা আকাশে উঠতে পারবে ঘন্টায় ২৫০ থেকে ৩০০ কিলোমিটার গতিতে, মাটির সমান্তরাল ভাবে ওড়ার ক্ষমতা ঘন্টায় ৪৫০ থেকে ৫০০ কিলোমিটার. এছাড়া এই হেলিকপ্টারে কৃত্রিম মগজ লাগানো হবে, যা পাইলটকে সাহায্য করবে আর পাইলট আহত বা নিহত হলে নিজে থেকে ঘাঁটিতে ফিরে আসতে পারবে. অন্য কোন গুণের কথা আপাততঃ এই সম্ভাব্য হেলিকপ্টার সম্বন্ধে জানা নেই. এখনও জানা যায় নি যে, এই ধরনের হেলিকপ্টার বানানোর জন্য ২০১১ – ২০২০ সালের বাজেটে বরাদ্দ আছে কি না.