শুধুমাত্র আলোচনার মাধ্যমেই মিসরের বর্তমান সংঙ্কট সমাধান করা সম্ভব.মিউনিখে অনুষ্ঠিতব্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেরগেই ল্যাভরোভ এ কথা বলেন.এ বিষয়ে জার্মানি থেকে বিস্তারিত জানিয়েছেন আমাদের বিশষ প্রতিনিধি এলিজাভেতা ইসাকোভা.

সংবাদ সম্মেলনে ল্যাভরোভের কাছে জানতে চাওয়া বিষয়সমূহের মধ্যে প্রধান ছিল মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ঘটনা সম্পর্কে মস্কোর বক্তব্য .সেরগেই ল্যাভরোভ সরাসরিই বিদেশি সাংবাদিকদের উত্তরে বলেন যে,মিসরে যা ঘটছে মস্কো কখনই তা কামনা করে নি.তিনি বলছেন,অবশ্যই,পরিস্থিতি অনেক সঙ্কটময়.এই সংকট পরিস্থিতি যা এখন তিউনিশিয়া ও মিসরের সীমান্ত অতিক্রম করেছে.বিক্ষোভ ও সভা-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে ইয়েমেন ও জর্দানে এবং খুব শিঘ্রই সিরিয়াতে শুরু হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে.যদিও পরিস্থিতি ভিন্ন কিন্তু সামগ্রিকভাবে আমাদের অবশ্যই বোঝা উচিত ও সমর্থন করা উচিত কারণ গনতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এই ঘটনাগুলো কাম্য.আর্ত-সামাজিক ক্ষেত্রকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এবং তা মেটানোর জন্য দরকার স্থিতিশীল অর্থনৈতিক উন্নয়ন.এটিই হয়ত বর্তমান সমস্যা সমাধানের চাবিকাঠি.অবশ্যই,আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে মধ্যপ্রাচ্যের  পররাষ্ট্র নীতিমালাকে সম্মান জানানো দরকার এবং অভ্যন্তরীণ সঙ্কটে তাদের অনধিকার চর্চা করা উচিত হবে না.

ল্যাভরোভের সাথে সাংবাদিকদের ঐ সাক্ষাত্কারে ইরানের পারমানবিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়.ইউরোপের সাংবাদিকরা ল্যাভরোভকে প্রশ্ন করেন যে,তেহরানের পারমানবিক বিষয়ে মস্কো কি কঠিন নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে যাচ্ছে?.উত্তরে ল্যাভরোভ বলেন,আলোচনা,আলোচনা,আলোচনা ও সামান্য অগ্রগতি.এছাড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন,গত বছর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য রাষ্ট্রসমূহ সম্মিলিতভাবেই ইরানের পারমানবিক নিষেধাজ্ঞা বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে.তার মানে হচ্ছে, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ৫টি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রসমূহ ও জার্মানি’ও ছিল.তবে এদের কড়াকড়ি সিদ্ধান্ত তেহরানের সাথে হয়ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে আবার নাও পারে.ল্যাভরোভ উল্লেখ করেন,ঐক্যমতে পৌঁছানোর জন্য তেহরানকে অবশ্যই ট্যানেলের শেষ প্রান্তে আলো দেখতে হবে.