এই বিষয়ে আজ দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে. এই বৈঠকে ঠিক করা হবে সর্ব্বোচ্চ সামরিক পর্যায়ে কবে, কি বিষয়ে ও কোথায় আগামী বৈঠক বসবে. কিন্তু সিওল এই বৈঠকের শর্ত হিসাবে আগাম জানান দিয়েছে যে, উত্তর কোরিয়াকে গত বছরে দুটি বোমা বর্ষণে দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকদের মৃত্যুর দায়ভার নিতে হবে. ইওনপহিয়েন্দো দ্বীপে বোমা বর্ষণ ছাড়াও ছোনান যুদ্ধ জাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার দায়ও উত্তর কোরিয়ার উপরে চাপাতে চেয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া, যার ফলে ৪৬ জন নাবিকের মৃত্যু হয়েছিল. উত্তর কোরিয়া এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে. ৮ই ফেব্রুয়ারী দিনটি সহমতে এসে করতে হয়েছে, কারণ উত্তর কোরিয়া চেয়েছিল ১লা ফেব্রুয়ারী আর দক্ষিণ কোরিয়া চেয়েছিল এই বৈঠক ১১ই ফেব্রুয়ারী বৈঠক করতে.