নতুন শতকের প্রথম ১০টি বছর কেটে গেল.বিগত ১০ বছর এবং সর্বশেষ বছরটিতে বিশ্ব রাজনীতির উন্নয়নের বেশ কিছু বিষয়ের চুড়ান্ত হিসাব-নিকাশ করার সময় এসেছে.এ বিষয় নিয়ে আমরা কথা বলি কম্পেরাটিব পলিট্যিকাল রিসার্স সেন্টারের পরিচালক বরিস শেমেলেভের সাথে.

‘আমার কাছে এ ক্ষেত্রে মনে হচ্ছে, পারস্পরিক সম্পর্কের বিনিময়.সুতরাং চলতি বছরের আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক অঙ্গনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলীর চারিত্রিক রুপ যা বিগত দশ বছরের আলোকেই তার স্বরুপ অবস্থানে বজায় থাকবে.সেই সব উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলীর মধ্যে আমি উল্লেখ করতেই চাই, অবশ্যই রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারমানবিক অস্ত্রহ্রাস বিষয়ক চুক্তি ও লিসবনে রাশিয়া-ন্যাটো সম্মেলনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের অংশগ্রহন.সামগ্রিকভাবে এই বিষয়গুলি বিগত দশবছরের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন ধারার উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে.

উল্লেখ্য,বিগত দশ বছরের মাঝামাঝি সময়ে রাশিয়া ও পশ্চিমাদেশগুলোর মধ্যে সম্পর্কের কিছুটা অবনতি ঘটেছিল.এই সম্পর্ক যা অনেকটা সংকটময় সময়ের মধ্যদিয়ে অতিক্রম করেছে এবং পরবর্তিতে তা নতুন স্নায়ু যুদ্ধের সূচনা করতে যাচ্ছিল.যদিও এই পরিস্থিতি রাশিয়ার বা পশ্চিমাদের কাছে প্রয়োজন ছিল না,বিশেষভাবে বিশ্ব অনেক সংকটময় পরিস্থিতির মধ্যদিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে.এই সব নানা প্রতিকূল বিষয় মোকাবিলার জন্য সামগ্রিক শক্তির দরকার.এরই ধারাবাহিকতায় রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে রাজনৈতিক সম্পর্কের পূনঃউন্নয়ন ঘটেছে.বরিস শেমেলেভ বলেন,রাশিয়ার সাথে এমনই সম্পর্ক বিরাজ করছে পশ্চিমা দেশগুলোর সাথে.

অবশ্যই, আমরা এখন যা পর্যবেক্ষন করছি তা মূলত নতুন প্রচেষ্টারই ফসল.এই রাজনৈতিক পেক্ষাপটের বাস্তব উন্নয়ন এখনও অনেকটা শিথিল.তবে এই ক্ষেত্রে আমার মতামত হচ্ছে,রাশিয়া ও পশ্চিমাদেশগুলোর মধ্যে সম্পর্কের নতুন পথে অগ্রসর হওয়ার গুরুত্ব অপরিসীম.সময়ই বলে দিবে যে বাস্তব রাজনৈতিক পেক্ষাপটে তা কতটুকো সফল হয়েছে.

রাশিয়ার দিকে তাকালে দেখা যায় যে,এর রাষ্ট্র পরিচালনায় যারা নিয়োজিত আছেন তারা সর্বদাই একটি কথা বলে আসছেন,তা হচ্ছে রাজনীতির ক্ষেত্রকে অধুনিকীকরন যা পশ্চিমাদের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ব্যতিত বাস্তবায়ন করা সম্ভব না এবং এই ক্ষেত্রে রয়েছে নিজস্ব যুক্তি.পরিশেষে বরিস শেমেলেভ জানান,রাশিয়ার পররাষ্ট্র রাজনীতিতে আরও বেশী মাত্রায় সর্বোচ্চ আস্থা বজায় থাকবে এবং পশ্চিমাদের সাথে মিলিত উদ্দোগে একসারি সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যার সমাধান করা হবে.