শুধু মাত্র বেতন বৃদ্ধির দাবীতেই এই ধর্মঘট, কোনও দেশের বিরুদ্ধে যাওয়ার মতো কোন রাজনৈতিক কারণ নেই বলে এই দেশের পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মীদের প্রতিনিধি ইয়াকভ লিভনে ঘোষণা করেছেন. তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেছেন যে, এই রকম একটি জরুরী ও গুরুত্বপূর্ণ সফর বাতিল হল, এর জন্য বহু দিন ধরেই প্রস্তুতি চলছিল. কূটনীতিবিদদের ধর্মঘট চলছে প্রায় এক বছর ধরে, তাঁরা এটা চালিয়েও যেতে চান. এই কারণে জানুয়ারী মাসে পরিকল্পিত জার্মান চ্যান্সেলার এঞ্জেলা মেরকেল ও স্লোভেনিয়া এবং ক্রোয়েশিয়া দেশের প্রধানমন্ত্রীদের সফরও বিঘ্নিত হতে পারে.