রাশিয়া সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে ভারতকে সাহায্য করতে প্রস্তুত অস্ত্রসজ্জা ও প্রকৌশল সরবরাহ করে, এবং তাছাড়া মনে করে আরও ঘন ঘন সামরিক মহড়া পরিচালনা করা সম্ভব, বলেছেন রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দমিত্রি মেদভেদেভ. তিনি বলেন, “রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম বার আমি ভারত সফরে এসেছিলাম মুম্বাইয়ে ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসের কয়েক দিন পরেই. আমি তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে বলেছিলামঃ ভারতের যদি সন্ত্রাসবিরোধী ধারায় আমাদের সাহায্যের প্রয়োজন থাকে, তাহলে আমরা প্রস্তুত এ সাহায্য দিতে - আমাদের জ্ঞান, পদ্ধতি ও অস্ত্রের দ্বারা সাহায্য করে”. মেদভেদেভ স্বীকার করেন যে, রাশিয়ারও “এ ক্ষেত্রে কঠিন ও বিপর্যয়কর অভিজ্ঞতা আছে”. মেদভেদেভ উল্লেখ করেন, “দুঃখের বিষয়, এ বছরেও আমাদের দেশে সন্ত্রাস ঘটেছে এবং বহুসংখ্যক লোকে হতাহত হয়েছে”. রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি জোর দিয়ে বলেন যে, রাশিয়ার কর্তৃপক্ষ “সন্ত্রাসবাদীদের ঘাঁটিতে আঘাত হানতে, অবস্থানস্থল থেকে তাদের বার করে আনতে বাধ্য হয়েছে. আমি মনে করি যে, আমাদের সন্ত্রাসবিরোধী বাহিনী বিগত ১০ বছরে অনেক কিছুই শিখেছে, আমাদের নির্দিষ্ট প্রকৌশলও আছে কাজের, এবং আমরা এ দিক থেকে ভারতীয় বন্ধুদের সাথে কাজ করার জন্য একেবারে উন্মুক্ত”. তিনি এ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ করেন যে, “আমাদের দেশগুলিতে সন্ত্রাসবাদের মূল প্রায়ই থাকে খুব কাছাকাছি জায়গায়, এবং আমাদের দেশগুলি যথাযথ তথ্য, প্রাকৌশলিক ও  শক্তিভিত্তিক অভিজ্ঞতা ব্যবহার করতে পারে”. রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি তাছাড়া প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও প্রসারের পক্ষে মত প্রকাশ করেন. তিনি মনে করিয়ে দেন যে, অক্টোবরে রুশ-ভারত মিলিত মহড়া হয়েছিল. তিনি বলেন, “প্রয়োজন হলে আমরা এ রকম মহড়া আরও ঘন ঘন চালাতে প্রস্তুত”. মেদভেদেভ উল্লেখ করেন যে, রাশিয়ায় “সশস্ত্র বাহিনী মোটামুটিবাবে খারাপ নয়, যদিও তা রয়েছে সংস্কারের অবস্থায়”. তিনি বলেন, “আমরা এ বাহিনী আরও উপযুক্ত মাপের এবং আধুনিক করে তুলতে চেষ্টা করব”. দমিত্রি মেদভেদেভ জোর দিয়ে বলেন, “তবে, আমাদের সশস্ত্র বাহিনী সামরিক কর্তব্য সমাধান করতে সক্ষম, এবং সমবায়ও সম্ভব”.