পাকিস্তান ও আফগানিস্তান নার্কোটিকের চোরাচালানের বিরুদ্ধে সংগ্রামে নিজেদের প্রচেষ্টার সঙ্গতি সাধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে. এ সম্বন্ধে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে ইস্লামাবাদে, রাষ্ট্রসঙ্ঘের উদ্যোগে কর্মরত নার্কোটিক প্রসারের বিরোধিতা সংক্রান্ত আঞ্চলিক গ্রুপের কাঠামোতে অনুষ্ঠিত সাক্ষাতে. নিকট ভবিষ্যতে দু দেশের আইন ও শৃঙ্খলা রক্ষা পরিসেবাগুলি চোরাচালানকারীদের বিরুদ্ধে সুসমন্বিত অভিযান চালানো শুরু করবে. আগে সর্বদা স্থিতিশীল না থাকা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পরিবেশে ইস্লামাবাদ ও কাবুল নার্কোটিকের চোরাচালানের বিরুদ্ধে মিলিত সংগ্রাম চালাতো না. এর সুযোগ নিত নার্কোটিক কারবারীরা, তারা এ অঞ্চলকে নার্কোটিক বস্তুর উত্পাদন ও চোরাচালানের পৃথিবীর বৃহত্তম কেন্দ্রে পরিণত করেছিল. রাষ্ট্রসঙ্ঘের তথ্য অনুযায়ী, আফগানিস্তানে আফিংয়ের চাষ উচ্ছেদের জন্য লক্ষ লক্ষ ডলার খরচ করা সত্ত্বেও. এ দেশে উত্পাদিত হচ্ছে সারা পৃথিবীতে উত্পাদিত আফিংয়ের ৯০ শতাংশ.