তারিক আজিজের উকিলরা ইরাকের রাষ্ট্রপতি জাল্যাল তালাবানির কাছে আবেদন করেছে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত প্রাক্তন উপ-প্রধানমন্ত্রী, প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ক্ষমাদান করার. ইরাকের সর্বোচ্চ আদালত ২৬শে অক্টোবর সাদ্দাম হোসেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগীকে ফাঁসি দেওয়ার রায় দিয়েছে. ১৯৮২ সালে ইরাকী শিয়াদের নির্যাতনে তারিক আজিজের জড়িত থাকার কথা স্বীকৃত হয়েছে. গত সপ্তাহে রাষ্ট্রপতি তালাবানি বলেন যে, তিনি এ মৃত্যুদন্ড পালনের নির্দেশনামা স্বাক্ষর করবেন না, নিজের সিদ্ধান্তের পক্ষে এ যুক্তি দিয়ে যে, আজিজ বয়োবৃদ্ধ এবং ইরাকী খৃস্টান হিসেবে তাঁর প্রতি সহানুভূতি আছে. আজিজের উকিল জোভান্নি দি স্টেফানো এ বিশ্বাস প্রকাশ করেন যে, ক্ষমা দানের আবেদন অনুমোদিত হবে. আজিজের মৃত্যুদন্ড ঘটতে না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ইরাকের কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, এবং তাছাড়া রাষ্ট্রসঙ্ঘ, ইউরোসঙ্ঘ ও ভাটিকান.