রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হওয়ার জন্য ভারতের অভিপ্রায় সমর্থন করা সম্পর্কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তে পাকিস্তান শক পেয়েছে এবং মনে করে যে, এমন সিদ্ধান্ত গোটা অঞ্চলের জন্য গুরুতর পরিণতি নিয়ে আসতে পারে, কূটনৈতিক উত্সকে উদ্ধৃত করে বুধবার এ সম্বন্ধে জানিয়েছে পাকিস্তানের “ডন” পত্রিকা. ২০০৯ সালের গোড়া থেকে নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার নিয়ে আন্তঃসরকারী আলাপ-আলোচনা চলছে. বিশেষ করে, কথা হচ্ছে তার সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর, এবং সম্ভবত, স্থায়ী সদস্য সংখ্যাও বাড়ানোর. সোমবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামা ভারতে সরকারী সফরের সময় ভারতের পার্লামেন্ট সদস্যদের সামনে বক্তৃতা দেন এবং বলেন যে, রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্য হিসেবে ভারতের অন্তর্ভুক্তি সমর্থন করেন. ঐ "ডন" পত্রিকার তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সালমান বশির ইস্লামাবাদে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ক্যামেরন মান্টের-কে জানান যে, পাকিস্তানের মতে, নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্য হিসেবে ভারতের যোগদান নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করতে পারে এ অঞ্চলের পরিস্থিতির উপর, যেখানে ভূভাগীয় বিতর্ক মূলক সমস্যা রয়েছে. পত্রিকাটি লিখেছে, আশা করা হচ্ছে যে, এ দৃষ্টিভঙ্গী ব্যাখ্যা করে বলা হবে পাকিস্তানের সরকারী ব্যক্তি ও সামরিক অধিনায়কমন্ডলীর সাথে আফগানিস্তানে ন্যাটো জোট ও মার্কিনী বাহিনীর অধিনায়ক ডেভিড পেট্রেউসের সাক্ষাতে, যিনি এ সপ্তাহে ইস্লামাবাদে আসবেন.