তেহেরানকে পারমাণবিক কর্মচূচি ত্যাগ করতে বাধ্য করার একটি সম্ভাবনা হল সামরিক বল প্রয়োগের ভয় দেখানো, কারণ অর্থনৈতিক বাধানিষেধ প্রবর্তন ফল দেয় নি. এ সম্বন্ধে সোমবার বলেছেন ইস্রাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু, লুইজিয়ানা রাজ্যের নিউ অর্লিনসে উত্তর আমেরিকার ইহুদী ফেডারেশনের অংশগ্রহণকারীদের সামনে বক্তৃতা দিয়ে. নেতানিয়াহু বলেন, “একবার মাত্র ইরান সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য নিজের পারমাণবিক কর্মসূচি থামিয়েছিল- ২০০৩ সালে, যখন ইরানের কর্তৃপক্ষ দেশের বিরুদ্ধে সামরিক ক্রিয়াকলাপের বাস্তব বিপদে বিশ্বাস করেছিল. আন্তর্জাতিক জনসমাজ যদি এখনও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি থামানোর আশা করে থাকে সামরিক ক্রিয়াকলাপ ছাড়াই, তাহলে, অন্ততপক্ষে, তাকে বিশ্বাস করানো উচিত যে, এমন ক্রিয়াকলাপের জন্য আন্তর্জাতিক জনসমাজ প্রস্তুত”. এদিকে রবিবার বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সাথে সাক্ষাতের পরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপ-রাষ্ট্রপতি জোসেফ বাইডেন জোর দিয়ে বলেন যে, ওয়াশিংটন ইরানের পারমাণবিক প্রশ্ন শান্তিপূর্ণ উপায়ে মীমাংসা করতে চায়. রাষ্ট্রসঙ্ঘে রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি ভিতালি চুরকিন সোমবার রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে বক্তৃতা দিয়ে বলেন যে, “রাশিয়া ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতির কূটনৈতিক মীমাংসার কোনো বিকল্প দেখছে না”.