রাশিয়া বিরোধী মনোভাবের কারণে মস্কো মিখাইল সাকাশবিলির শারীরিক পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে.তিবলিসের ধারাবাহিক স্কান্ডালের বিষয়কে এইভাবেই রাশিয়া বিবৃতি প্রদান করেছে.

সেখানে ১৩ জন মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে যারা রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর পক্ষথেকে গোয়েন্দা কাজে লিপ্ত ছিল.এমনকি ঘোষণাও করা হয়েছে যে,কে কোন কাজে জড়তি ছিল.রেডিও বিশেষজ্ঞরা গোপন সংবাদ প্রকাশ করেছে যে,জর্জিয়া  বিদেশী রাষ্ট্রের সাথে সামরিক সম্পর্ক তৈরী করতে চাচ্ছে.

 তিবলিসে যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের সাথে  রাশিয়ার গোয়েন্দা বাহিনীর কোন ধরনের সম্পর্ক নেই.রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয় তিবলিসের ঘোষণাকে বানোয়াট অভিযোগপত্র হিসাবে উল্লেখ করেছে.

এই ধরনের বানানো সংবাদ সাকাশবিলির সময়কালিনই সৃষ্টি করা হচ্ছে.শরতের সময় দেশটির স্থানীয় একটি টেলিভিশন চ্যানেলে ভিডিও ফুটেজে দেখানো হয় যে,রাশিয়ার সামরিক বাহিনী জর্জিয়ায় হামলা চালিয়েছে.রাশিয়ার সাথে সম্পর্ককে বিনষ্ট করার জন্যই রাশিয়ার শত্রু জর্জিয়া ও এর নাগরিকরা এই ধরনে কাজ করছে.এমনই মন্তব্য করছেন পার্লামেন্ট দুমার  আন্তর্জাতিক সম্পর্ক  বিষয়ক কমিটির মূখপাত্র কন্সতানতিন কোসাচেব.তিনি বলছেন,বিশ্বে সাকাশবিলির মিত্র ও সহযোগি রাষ্ট্রের সংখ্যা দিন দিন অনেক কমছে.২০০৮ সালের আগষ্টে দক্ষিন ওসেটিয়াকে নিয়ে সাকাশবিলির নেতৃত্বের ঘটনা যা সবারই জানা.

তিবলিসিতে যে ১৩ জনকে আটক করা হয়েছে সেই ঘটনাকে রাশিয়ার রাজনীতিবিদ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথেই দেখছেন.তাদের মধ্যে রয়েছে রাশিয়ার নাগরিক,যারা জর্জিয়ায় ব্যাবসার কাজে নিয়োজিত ছিল.এক্ষেত্রে কন্সতানতিন কোসাচেব রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের এক ঘোষণার কথা উল্লেখ করে বলেন যে,রাশিয়া সব স্থানেই এবং সর্বদা তার নাগরিকদরে যে কোন উপায় রক্ষা করবে.

এই বিষয়টি পরিষ্কার যে,তিবলিস যে নিয়মিত স্কান্ডাল করে যাচ্ছে তা ছিল পূর্বপরিকল্পিত.লিসবনে যখন আর কিছুদিন পরই ন্যাটোর সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে তখনই সাকাশবিলি নিজের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষনের জন্যই এই ঘটনার সূত্রপাত করেছেন.