রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দমিত্রি মেদভেদেভ কর্মসফরে কুরিল দ্বীপপুঞ্ঝে পৌঁছেছেন.  দূর প্রাচ্যের এ এলাকা সফর করা দেশের প্রথম নেতা তিনি. কুনাশির দ্বীপে একটি কারখানা ও নির্মীয়মান প্রকল্প পরিদর্শনের পর রাষ্ট্রপতি এ স্থিরবিশ্বাস প্রকাশ করেন যে, কুরিল দ্বীপপুঞ্জে এমন জীবনাবস্থা গড়ে তোলা যেতে পারে, যা কেন্দ্রীয় রাশিয়ার চেয়ে কোনো অংশে খারাপ নয়. এদিকে জাপান আবার প্রতিবাদ জানিয়েছে মেদভেদেভের কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর উপলক্ষ্যে. টোকিও আবার এ এলাকার উপর নিজের দাবির কথা জানিয়েছে. জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেইজি মায়েহারার কথায়, ওখানে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতির আগমণ জাপানের জনগণের অনুভূতি ক্ষুণ্ণ করে. ক্রেমলিনে এ বিশ্বাস প্রকটিত হয়েছে যে, নিজের দেশে রাষ্ট্রপতির সফরের  প্রশ্ন অন্য দেশের নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা করা পরিহাসযোগ্য ব্যাপার. মস্কোর স্থিতি হল এই যে, দক্ষিণ কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সোভিয়েত ইউনিয়নের (যার উত্তরাধিকারী রাশিয়া) অন্তর্ভুক্ত হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফল অনুযায়ী, এবং এ এলাকার উপর রাশিয়ার সার্বভৌমত্ব আন্তর্জাতিক বিধানিক ভিত্তিতে সূত্রবদ্ধ.