রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেব মনে করছেন যে,রাশিয়া ও ভিয়েতনামের রাষ্ট্রনেতাদেরকে বিনিয়োগ খাতে আরও বেশি মনোযোগি হতে হবে.ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে মেদভেদেব আজ দুইটি দেশের ব্যাবসায়িক প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠকের সময় এ বিবৃতি প্রদান করেন.এই সম্পর্কের উন্নয়নে সবথেকে কার্যকরী ভূমিকা রাখবে রাশিয়ার বৈদেশিক বানিজ্য ব্যাংক ও ভিয়েতনামের বিনিয়োগ ও উন্নয়ন ব্যাংক যা ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ তহবিল গঠন করেছে.ঐ দিকে রাশিয়ার বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে, রাশিয়া-ভিয়েতনাম বানিজ্যের আর্থিক লেনদেন রুবলে পরিবর্তন যা অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহনকারীদের তাহলে আর  আর্থিক ঝুঁকি থাকবে না.

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেবের ভিয়েতনামে প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে দুই দেশের মধ্যে একসারি চুক্তিপত্র স্বাক্ষর হয়েছে যা রাশিয়া-ভিয়েতনাম দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে বেশ কর্যকরি ভূমিকা পালন করবে.স্বাক্ষরিত চুক্তির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ভিয়েতনামে প্রথম পারমানবিক চুল্লি নির্মাণে রাশিয়ার সহায়তা প্রদান.রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট এই প্রকল্পকে অনেক বেশি গুরুত্ব প্রদান করেছেন.

তিনি বলেন,আমরা এই প্রকল্পে অনেক বেশি ইতিবাচক দিক দেখতে পাচ্ছি যা ভিয়েতনামের বিদ্যুত-জ্বালানী শিল্পে একটি বিরাট অংশে পরিনত হবে.আমরা মনে করি তা ভিয়েতনামকে স্বনির্ভর রাষ্ট্র হিসাবে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে.বিভিন্ন উত্স থেকে ব্যবহার করা শক্তি যা আধুনিক বিশ্বে  তা অনেক গুরুত্বপূর্ণ.

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেব উল্লেখ করেন যে,রাশিয়া ও ভিয়েতনামের মধ্যকার সম্পর্কের ক্ষেত্রে সব বিষয়গুলিই প্রাধান্য পাবে যেমন,রাজনৈতিক,অর্থনৈতিক,বৈজ্ঞানিক,সাংস্কৃতিক ও মানবিক.ভিয়েতনামী সরকারের শীর্ষনেতাদের সাথে বৈঠক শেষে মেদভেদেব এই কথা বলেন.

এই বানীকে বাস্তবতায় রুপ দেওয়ার জন্য প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ.যেমন হতে পারে,রাশিয়া-ভিয়েতনাম প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা.ভিয়েতনামের পক্ষথেকে দেওয়া এই প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট.রাশিয়ায় উচ্চশিক্ষা গ্রহনকরা ভিয়েতনামের কয়েক হাজার বিশেষজ্ঞ যারা বর্তমানে ভিয়েতনামের বিজ্ঞান,অর্থনীতি ও সংস্কৃতিসহ সব ক্ষেত্রেই উন্নয়ন কার্যে  গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে.রাশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রী পাওয়া ভিয়েতনামী প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে স্বাক্ষাতের মাধ্যমে মেদভেদেব জানতে পেরেছেন যে, রাশিয়া তাদের জন্য অনেকভাবেই গুরুত্বের এবং মূল্যবান.এমন ভালালাগা অনুভুতি নিয়েই ভিয়েতনামে সফল একটি সফর শেষ হয়েছে.