মাদকদ্রব্য বাজারজাতকরন ও এই উত্স থেকে আয়ের পরিসামার কঠোর অনুমোদনের ক্ষেত্রে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র একত্রে কাজ করবে.রাশিয়ার ফেডারেল মাদকদ্যব্র নিযন্ত্রন অধিদপ্তরের পরিচালক বিকতর ইভানব ওয়াশিংটনে এক বিবৃতিতে এই কথা বলেন.তিনি মাদকপাচার বন্ধ শীর্ষক সভায় অংশগ্রহন করেন.চুড়ান্ত ঐ সভায় রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র অবৈধভাবে মাদকপাচারের বিরুদ্ধে একসাথে কাজ করার ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করে.আফগানিস্তানের মাদকপাচারের বিষয়ে রাশিয়ার উদ্বিগ্নের বিষয়ে স্বয়ং যুক্তরাষ্ট্রের কাছেও তা পরিষ্কার.শুধুমাত্র সরকারি হিসাবে রাশিয়ায় ৫ মিলিয়ন  মানুষ মাদকাসক্ত.প্রতিবছর মাদকের কারণে ৩০ হাজার রাশিয়ার নাগরিক মৃত্যুবরন করছে.মাদকসেবনের কারণে নিহতদের অধিকাংশই আফগানিস্তানের হিরোইনে আসক্ত হয়ে থেকে যা মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মাধ্যমে রাশিয়া প্রবেশ করে.গত কয়েকবছরে আফগানিস্তানে মাদকপাচারের হার ১০ গুন বৃদ্ধি পেয়েছে.এমনই তথ্য জানালেন বিশ্ব অর্থ ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ইন্সটিটিউটের বিশেষজ্ঞ ইগর খাখলোভ.তিনি বলেন,সত্যিকার অর্থে,বর্তমানে আফগানিস্তানের মাদকের বিরুদ্ধে সংগ্রাম কার্যক্রম যা মার্কিনদের ও এদের মিত্ররাষ্ট্রসমূহের কাছে প্রধান বিষয় নয় এবং এদের কারণেই আফগানিস্তানের পরিস্থিতির আজ এই অবনতি.২০০১ সন থেকে এখন পর্যন্ত কখনই তারা মাদকপাচার বিরোধী কার্যক্রমে সচেষ্ট ছিল না.মার্কিনরা আল-কায়দা নেতাদের খুঁজে বের করার কাজেই ব্যস্ত ছিল এবং মাদক সরবরাহের বিরুদ্ধে সংগ্রামের কাজটি শুরু থেকেই অবহেলায় ছিল.তাই রাশিয়া এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশসমূহ যারা আফগানিস্তানের মাদকের কারণে বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছে তারা সবাই যুক্তরাষ্ট্রকে এই ব্যাপারে যে কোন পদক্ষেপ গ্রহন করার আহবান জানিয়েছে.মাদকপাচারের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষথেকে সুনির্দিষ্ট কোন বিষয়টি আশা করা হচ্ছে এবং কেনই বা তার বাস্তবায়ন হচ্ছে না?.সে বিষয়ে জানালেন  ইগর খাখলোভ.ইউরোপীয় ইউনিয়ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাজ থেকে মাদক সরবরাহ ব্যবসা ও এর সঙ্গে জড়িত সংস্থার বিরুদ্ধে যাতে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহন করা হয় সে বিষয়ে তারা অপেক্ষা করছে.মাদক সরবরাহের বিরুদ্ধে কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য দরকার একসারি পরিকল্পনা.তবে সত্যিকার অর্থে জীবন এখন দাড়িয়ে আছে সেই বিষয়ের উপর ,বর্তমান সময়ে আফগানিস্তানের হিরোইন  সমস্যা যা এশিয়া ও ইউরোপের সমস্যা.অন্যদিকে এই পরিস্থিতির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে তেমন আলোচনাই হচ্ছে না.মার্কিনিদের যে সব মাদকদ্রব্যে ভুগিয়ে থাকে তা আসে দক্ষিন আমেরিকার ম্যক্সিকো থেকে.জুলাই মাসে রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রকে আফগানিস্তানের ৫টি মাদক কারখানার সম্পর্কে আবহিত করেছে এবং কখন তা ধ্বংস করা হবে তার জন্যই এখন অপেক্ষা করা হচ্ছে.এই আবেদনপত্র নিয়ে বিকতর ইভানব তার মার্কিন সহকর্মীর দৃষ্টি আকর্ষন করেন.যদিও যুক্তরাষ্ট্রের মাদক নিয়ন্ত্রন দপ্তর এক বিবৃতিতে জানায় যে,ঐ সব কারখানাগুলোকে ন্যাটোবাহিনী অনুমতি দেয় নি.বিকতর ইভানব বলেন,রাশিয়ার তত্পরতা হয়ত যুক্তরাষ্ট্রকে সাহায্য করবে.তার ভাষায়,এ ক্ষেত্রে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ  বিষয় হল মাদকের বিরুদ্ধে সংগ্রামী  কার্যক্রম একসাথে পরিচালনা কার.