যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে শক্তিশালী নিউক্লিয়ার ত্রিমুখী বোমা বি-৫৩ যা মাটির নিচে মাইন ধ্বংসের জন্য তৈরী করে হয়েছিল এবং তা তৈরী করতে সাহায্য করে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিশেষজ্ঞরা.যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পারমানবিক নিরাপত্তা পরিচালনার জ্বালানী মন্ত্রনালয় এই বিষয়ে এক বিবৃতি প্রদান করে.পর্যবেক্ষকরা এই বিবৃতিতে রুশ-মার্কিন সম্পর্কের ''পূনঃস্থাপনের'' জন্য  অন্যতম একটি ধাপ বলে বিবেচনা করছেন.একদিকে এই পথের অবলম্বন করেই অন্য বিষয়গুলোর দিকে এগিয়ে যেতে হবে.নিউক্লিয় শক্তির বিনষ্টের ধারনাই শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক পদ্ধতির গভীরে প্রবেশ করা সম্ভব.এই বিষয়ে আলোকপাত করা হয় সাধারন নিরাপত্তর জন্য নিউক্লিয়ার শক্তির সংবেরনশীর্ষক প্রতিবেদনে যা শুক্রবার রাশিয়ার ইজবেস্তিয়া পত্রিকায় প্রকাশিত হয়.প্রতিবেদনটিতে যে কয়েকজনের মতামত উল্লেখ রয়েছে তারা হলেন-ইবগেনী প্রিমাকোব,ইবগেনী বেলিখোব এবং একই সাথে রাশিয়ার সাবেক পররাষ্ট্র বিষয়ক কুটনীতিক কর্মকর্তা ইগর ইবানব ও জাতীয় সামরিক শক্তি বিভাগের পরিচালক মিখাইল মইসেব.লেখকরা যে বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন তা হল আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এখনও রয়েছে শক্তির কার্যকরী হুমকি.যেহেতু এটি এখনও বহাল রয়েছে তাই রাশিয়াকে নিজেদের আগ্রহের বিষয়ে রক্ষা করার জন্য পারমানবিক শক্তির সংরক্ষন করতে হবে.একই সাথে লেখকরা উল্লেখ করেন যে,পারমানবিক শক্তি একুশ শতকের বিভিন্ন হুঁমকির বিষয়ে অকার্যকরী ভূমিকা রাখছে.এক্ষেত্রে তারা উল্লেখ করেন গনহত্যার জন্য ব্যাপক অস্ত্রের সরবরাহ,আন্তর্জাতিক জঙ্গিবাদ,জাতিগত ও আঞ্চলিক গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাত ও সীমান্তবর্তী এলাকার অপরাধ.ঐ প্রতিবেদনে একটি নতুন আন্তর্জাতিক বিশ্বস্থ পদ্ধতি প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয় যা হবে এর নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ধারাবাহিকতায়.অন্যদিকে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র বিষয়ক ইন্সটিটিউটের সহকারি পরিচালক ও ধংসাত্বক বিভাগের বিশেষজ্ঞ পাবেল জালোতারেব এই ধরনের প্রতিষ্ঠান তৈরী সম্পর্কে রেডিও রাশিয়াকে নিজের মতামত জানান.তিনি বলেন-রকেট ক্ষেপনাস্ত্র হামলার সতর্কতা নিয়ে আজ থেকে ১০ বছর পূর্বে মস্কোতে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যে সহযোগি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছিল এমন বিষয়ের ক্ষেত্রে এটিও হতে পারে অন্যতম একটি ধাপ.বিভিন্ন কারণে পরে আর সেই কেন্দ্র তৈরী হয় নি কিন্তু এখন আবার সেই ধারনাটির বাস্তবে রূপ দেওয়ার কাজ করা হচ্ছে.পারমানবিক শক্তির ক্ষেত্রে বিশ্বস্ততা অর্জনে এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক.এই ক্ষেত্রে আমি জোর দিয়ে বলতে চাই যে,এই কেন্দ্রের কার্যক্রমে বিনিময়ের বিষয়গুলির ক্ষেত্রে অন্যন্য  রাষ্ট্রসমূহকে পুনঃবিবেচনা করতে হবে.সবার আগে সেই সব দেশ যাদের পারমানবিক শক্তি রয়েছে এবং অন্য দেশসমূহ যাদের পারমানবিক শক্তি নেই.পারমানবিক ধংসাত্বক বিষয়টি মানবজগতে বিশেষ কর্যকারি বিষয়ে বহাল থাকবে.কিন্তু এই বিষয়টি অবশ্যই নিয়ে আসা ঠিক হবে না যখন পৃথিবী পারমানবিক শক্তি থেকে মুক্ত হবে,তা হবে আরও শান্তিময়.যুদ্ধ থেকে মুক্ত.এখানে অবশ্যই থাকতে হবে আন্তর্জাতিক বিধিনিষেধ.এই সম্পর্কেই যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যে চিন্তা রয়েছে তা হল ইউরোপে রকেট প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠা,দূরপ্রাচ্য ও মধ্যপ্রাচ্য ও পারস্পরিক বিনিময়ের এই কেন্দ্র প্রতিটি অঞ্চলে থাকা দরকার.সামগ্রিক অর্থে পাবেল জালোতারেব মনে করেন যে,পররাষ্ট্র শক্তি বিষয়ে রাশিয়ার স্বনামধৈন্য লেখকদের ঐ প্রতিবেদন বিশ্বস্ত সম্পর্ক খুঁজার অন্যতম বিকল্প উপায়.এছাড়া বর্তমান সময়ের কঠিন এই স্মায়ু যুদ্ধ থেকে মুক্তির অন্য কোন উপায় নেই.