রাশিয়া বিশ্ব বানিজ্য সংস্থা(ডব্লিউটিও)তে যোগদানের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে দ্বিপাক্ষীক বিষয়বলীর আলোচনার সমাপ্তি করেছে. এ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে শুক্রুবার রাশিয়া ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেব ও বারাক ওবামার মধ্যে টেলিফোন আলাপ অনুষ্ঠিত হয়.টেলিফোন সংলাপে হোয়াইট হাউস থেকে দেওয়া সংবাদে বলা হয় যে,রাশিয়া সম্পত্তি সংরক্ষনে বেশ কার্যকরী অবদান রেখে চলেছে,আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে নিষ্পত্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহন করেছে এবং বিশ্ব বানিজ্য সংস্থায় যোগদানের বিষয়ে বহুপক্ষের সাথে আলোচনায় অংশ নিয়েছে.ক্রেমলিনের বার্তা বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে,রাশিয়া এই বিষয়ে দ্বিপাক্ষীক সম্পর্কসহ দুটি দেশের মধ্যকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক  কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে.উল্লেখ্য যে,গ্রীষ্মের জুন মাসে মেদভেদেবের ওয়াশিংটন সফরের সময় দুই পক্ষই একমত পোষন করেছিল যে,সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ বিশ্ব বানিজ্য সংস্থায় রাশিয়ার যোগদানের বিষয়ে সব প্রশ্নের সমাধান করা হবে.নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তা সম্পন্ন হয়.এর আগে সাংবাদিকদের এ কথা জানান রাশিয়ার অর্থমন্ত্রী আলেক্সেই কুদরিন.এই কাজের মূল পর্ব যা এখন জেনেভায় হস্তান্তর করা হবে.এখানেও রয়েছে নিজস্ব কিছু সমস্যা.রাশিয়া,বেলারুশ ও কাজাকিস্তানের মধ্যে যে শুল্ক ভূখন্ড গঠন করা হয়েছে তার চুড়ান্ত দলিলে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে.আর তা অনেক বেশিও না আবার কমও নায়.৩০টি অনুচ্ছেদ.এখনও রয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রশ্ন.এছাড়াও রয়েছে গ্রামীন অর্থনীতি ও মাংস আমদানি সংক্রান্ত সমস্যা.তাই চলতি বছরের মধ্যে যে সব সমস্যার সমাধান হবে তা বলে যাচ্ছে না,এমনই মনে করছেন রাশিয়ার বিজ্ঞান একাডেমি(রাস)এর  যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা ইন্সটিটিউটের সহপরিচালক বিকতর সুপইয়ান.তিনি বলেন-প্রস্তাবনা অনুসারে, বিশ্ব বানিজ্য সংস্থায় যোগদান করতে যাওয়া প্রতিটি দেশই আলাদা আলাদাভাবে সংস্থার প্রত্যেকটি সদস্য রাষ্ট্রের সাথে আলোচনা করতে হবে.সেই ধরনের দেশের সংখ্যা কয়েকটিই.নিয়ম অনুসারে তা বৃহত দেশসমূহ নয়.সেই সব দেশের তালিকারমধ্যে সর্বশেষ সময়ে রয়েছে জর্জিয়া.তবে জর্জিয়ার ক্ষেত্রে যে প্রশ্নবলী আছে তার সমাধান হয়ে গেছে কিন্তু দ্ব্যর্থহীনভাবেই বলতে হয়, আমার মনে হয় না.জর্জিয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব এবং বিশ্ব বানিজ্য সংস্থার সার্বিক বিষয় হয়ত  এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব এবং এই সমস্যার.তাই যুক্তরাষ্ট্রের সাথে এই আলোচনা সত্যিই অনেক গুরুত্বের এবং যুক্তরাষ্ট্র অনেক দ্রুত সব কার্যকরি নথিপত্র তৈরী করতে পারবে.তবে এখন আমি নির্দিষ্টভাবে কোন সময় বলতে পারছি না.ধারনা করা যেতে পারে যে,আগামী বছরে রাশিয়া বিশ্ব বানিজ্য সংস্থার সদস্য হতে পারে.শুধুমাত্র বিশ্ব বানিজ্য সংস্থার সদস্য হওয়ার পরই রাশিয়া সবধরনের বিধি নিষেধ ও বাধ্যবাধকতা পালন করবে.তাই মনে করেন রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ভ্লাদিমীর পুতিন.সত্যিকার অর্থেই স্মরণ করলে দেখা যায় যে,আলোচনার এই সময় ইতিমধ্যে অতিক্রম করেছে ১৭টি বছর.