রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেরগেই ল্যাভরভ জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বিভিন্ন বিষয়ে গৃহিত সিদ্ধান্তে একপক্ষের অনুমোদন চর্চা না করার আহবান জানিয়েছেন.তিনি জাতিসংঘের সহস্রাব্দ উন্নয়ন শীর্ষক সম্মেলনে বক্তব্য দানকালে এ কথা বলেন.একপক্ষের অনুমতি যা আন্তর্জাতিক সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে,এই চর্চা অবশ্যই বন্ধ করা উচিত.এমন মন্তব্য করেন,দুমার আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহকারি সভাপতি আন্দ্রেই ক্লিমব.তিনি বলেন-যুক্তরাষ্ট্র ও এর মিত্র দেশসমূহ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহ জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহিত অনুমোদনের পরও নিজদের সিদ্ধান্তসমূহ কার্যকর করা শুরু করে. আন্তর্জাতিক অধিকার এর দিক দিয়ে এই দেশগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায় যে, আইনি তত্পতরতার অন্তর্ভুক্ত হয়ে এদের ব্যক্তিগত অথবা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের পরিমান কম.কিন্তু আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে এটি সন্দেহের বিষয়.এই ক্ষেত্রে জাতিসংঘকে বিষয়ে সমন্বয়কারীর কাজ করতে হবে এবং প্রশ্নাবলীর আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহনযোগ্যতা তৈরী করতে হবে.যদি কোন রাষ্ট্র জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের কোন সিদ্ধান্তে অসম্মতি জানায় তা হলে এর অর্থ হচ্ছে সেই রাষ্ট্র জাতিসংঘকে সম্মান জানায় না,এর কার্যক্রম ও নীতিমালাকেও সম্মান জানায় না.জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহিত অর্থনৈতিক অনুমোদন যা সতর্কতার সহিত পর্যালোচনা করা হয়েছে.সীমাবদ্ধ মানবিক অনুমোদন যা রাষ্ট্রের নাগরিক ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কোন নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না.এসব কিছুকে উপেক্ষা করা যা শুধুমাত্র আলাদা কিছু রাষ্ট্রের জন্যই ঝুঁকিপূর্ন নয় বরং বিশ্ব অর্থনৈতিক কাঠামো ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তারও.যুক্তরাষ্ট্র ও এর মিত্র দেশসমূহের একপক্ষের অনুমোদন যা বিগত বছরসমূহে বেশ কিছু দেশের কাছে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে.পূনরায় যা দেখা যায় ইরান সম্পর্কে এবং একই বিষয় উত্তর কোরিয়ার ক্ষেত্রেও.সময় পরিক্রমায় তা আরও দেখা যায়,ইরাক ও অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রেও.জাতিসংঘের সতর্কতা উপেক্ষা করেও যুক্তরাষ্ট্র ও এর মিত্র দেশসমূহ ২০০৩ সনের মার্চ মাসে ইরাকে হামলা চালায়.যদিও তখন ন্যাটোর অনেক প্রভাবশালী দেশ এই যুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান করেছিল.অন্য যে কোন রাষ্ট্র থেকে যুক্তরাষ্ট্রের চাহিদাকে সর্বদা গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং বিশ্ব সমাজকে তা মেনে চলার জন্যও জোরারোপ করা হয়েছে.এই পেক্ষাপটের কারণে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেরগেই ল্যাভরভ জাতিসংঘের সহস্রাব্দ উন্নয়ন শীর্ষক সম্মেলনে বক্তৃতায় এই বিষয়টি তুলে ধরেন.সেই কারণেই সেরগেই ল্যাভরভ জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বিভিন্ন বিষয়ে গৃহিত সিদ্ধান্তে একপক্ষের অনুমোদন চর্চা না করার আহবান জানিয়েছেন.