কিয়োটো প্রোটোকলের কাঠামোর মধ্যে রাশিয়াতে একসাথে বেশ কয়েকটি শক্তি সংক্রান্ত প্রকল্প অদূর ভবিষ্যতে বাস্তবায়িত করা হবে. এগুলির মধ্যে একটি, মস্কো উপকন্ঠে শাতুরা অঞ্চলের তাপ বিদ্যুত কেন্দ্র, যেখানে নতুন একটি শক্তি উত্পাদনের ব্লক লাগানো হচ্ছে, যার ফলে পরিবেশে দশ লক্ষ টনেরও বেশী কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস বর্জন কমানো সম্ভব হবে.    দুই বছরের মধ্যে এই রকম ফল পাওয়া যেতে পারে ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন একটি বাষ্প – গ্যাস চালিত যন্ত্র বসানোর ফলে. পরিবেশে বর্জন কমানোর ফলে পাওয়া অর্থ জ্বালানী সদ্ব্যবহার করার জন্য নতুন প্রকল্প তৈরীর কাজ বাড়ানো হচ্ছে, এই কথা বিশেষ করে উল্লেখ করে শাতুরা প্রকল্প যে বিদ্যুত উত্পাদক কোম্পানীর এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে তার সরকারি প্রতিনিধি দেনিস লিতোশিক বলেছেন:    "রাশিয়াতে শাতুরা প্রকল্পে যে যন্ত্র বসানো হয়েছে তার সমকক্ষ কোন যন্ত্রই নেই. তার ফলে এখানে উত্পাদনের হার অন্যান্য তাপ বিদ্যুত কেন্দ্র গুলির তুলনায় প্রায় দেড় গুণ বেশী ও এটি বেশী করে পরিবেশ বান্ধব প্রকল্প হয়েছে".    শুধু মাত্র পরিবেশ সংরক্ষণের কথা মাথায় রেখেই এই নতুন প্রকল্পের জন্য খরচ করা হয় নি, এটা যথেষ্ট রকমের মিতব্যয়ী প্রকল্পও বটে. "পরিবেশ ও বন্য প্রকৃতির শক্তি প্রযোজনার" প্রধান আলেক্সেই ককোরিন মনে করেছেন এই কথা, তাই তিনি বলেছেন:    "যদি এই মুহূর্তের সবচেয়ে বেশী লাভের কথা চিন্তা করে চলা হয়, তবে উচিত ছিল আরো প্রযুক্তির দিক থেকে পুরানো, সহজ এবং সস্তা যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা. যদি পরিবেশের কথা বলতে হয়, তবে বর্তমানের প্রকল্প থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যত ও তাপ উত্পাদনের জন্য পরিবেশে অনেক কম দূষণ হবে, গ্রীন হাউস এফেক্ট তৈরী করার মত গ্যাস বাতাসে ছড়াবে অনেক কম. আমরা শুধু একটা কেন্দ্রের কথাই বলছি, সেখানে তাপ বা বিদ্যুত কোনটাই কম উত্পাদন হবে না, ততটাই প্রযোজনীয় শক্তি পেতে গিয়ে নতুন প্রকল্পে অনেক কম জ্বালানী খরচ করতে হবে. আর বেশী মিতব্যয়ী ভাবে বেশী ফলপ্রসূ ভাবে জ্বালানী ব্যবহারের জন্য পরিবেশ দূষণও অনেক কমবে".    উত্পাদক কোম্পানী ও গে কা – ৪ পরিবেশের উন্নতি ও সংরক্ষণের জন্য যে তিনটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে, শাতুরা তাপ বিদ্যুত কেন্দ্রের বাষ্প – গ্যাস যন্ত্রের নতুন ব্লক তার একটি. এই কোম্পানীর এক নেতৃত্ব দান কারী শেয়ার হোল্ডার কোম্পানী হল বিশ্ব বিখ্যাত কনসার্ন ই. অন.    আজ রাশিয়ার জ্বালানী শক্তি ক্ষেত্রে আধুনিকীকরণ চলছে পুরোদমে, জল ও তাপ বিদ্যুত কেন্দ্র গুলিতে নতুন জ্বালানী সংরক্ষণ, নিরাপত্তা বৃদ্ধি ও আরও বেশী নিয়ন্ত্রণ যোগ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে. তৈরী হচ্ছে নতুন প্রজন্মের ব্লক, যে গুলি সারা পৃথিবীর পরিবেশ সংরক্ষণের প্রশ্নে সমাধানের উপযুক্ত প্রযুক্তি দিয়ে তৈরী. এই সবই আজ রাশিয়াকে কিয়োটো প্রোটোকলের ধারণাকে বাস্তবায়িত করতে সাহায্য করছে, কর্ম ক্ষেত্রেই প্রমাণ দিচ্ছে এই ধারণার প্রতি নিজেদের সমর্থন.