ইয়ারোস্লাভল ফোরাম যা সত্যিকার অর্থেই নতুন বিশ্ব রাজনৈতিক উদ্যানে রুপ নিয়েছে,যেখানে বিশ্বের অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা হয়েছে এবং তা সমধানে নেওয়া হয়েছে কার্যকরী সিদ্ধান্ত.রাজনৈতীক পেক্ষাপটের দিক দিয়ে এই ফোরামকে ইতিমধ্যে নামকরন করা হয়েছে রুশি দাবোস নামে.ফোরামে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কোরিয়া ও ইতালির রাষ্ট্রপ্রধান লি মেন বাক ও সিলবিও বেরলুসকোনী.রুশ প্রেসিডেন্ট এই দুই নেতার সাথে দ্বিপাক্ষিক সাক্ষাতে মিলিত হন.আধুনিক রাষ্ট্র বলতে কি বুঝায়?.এর ব্যপক বিশেষত্ব কি অধিকারত্বের দিক দিয়ে বিস্তৃত?.মূলত এই ধরনের প্রশ্নবলী আলোচনায় স্থান পেয়েছে যেখানে আন্তর্জাতিক অধিকার ও ধর্মীয় নিরাপত্তার বিষয়ে নতুন দিক তুলে ধরা হয়েছে.রুশ প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেব বিশেষ উল্লেখ করে বলেন যে,বর্তমানে সমাজের পাশ্ববর্তী বিষয়সমূহ নতুন রাজনৈতিক যোগাযোগ ব্যবস্থা কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়.তিনি বলেন,এই বিষয়গত দিক দিয়ে রাজনীতির বা গনতন্ত্রের মৃত্যু আমাদেরকে  ভাবিয়ে তোলে না.অথচ আমাদের সবারই-রাজনীতিবিদ,দেশ পরিচালনায় নিয়েজিত ব্যক্তি এদের সবারই উচিত নুতুনভাবে আলাপের পন্থা অনুসরন করা.আর তখনই হবে অন্যদের কাছে তা গুরুত্বের এবং লোকজেনের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার ক্ষেত্রেও অনেক সহজ হবে.আধুনিক বিশ্বে বিভিন্ন সমস্যা,হুমকির মধ্যে রয়েছে.আর এই ক্ষেত্রে দরকার রাজনৈতীক বিশেষজ্ঞদের সাথে খোলামেলা আলোচনার যারা ইতিহাসের অনেক বিষয়ে ব্যাখ্যা করেন.সেই দিক দিয়ে রাশিয়া ঐ সব দেশের তালিকায় রয়েছে.ইয়ারোস্লাভলে রুশ প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেব রাশিয়ার অভ্যন্তরের বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেছেন.এর প্রথম কারণটি হল অন্য রাষ্ট্রসমূহ যাতে বুঝতে পারে যে, রাশিয়া এখনও পরাশক্তি,স্বাধীন গনতন্ত্র,স্থিতিশীল অর্থনৈতীক ও রাজনৈতীক ব্যবস্থার দেশ হিসাবে অটুট রয়েছে.ফোরামে আলোচনায় দিমিত্রি মেদভেদেভ একবারের জন্যও উল্লেখ করেন নি যে,রাষ্ট্রে সৃষ্ট কোন ঘটনাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বর্তমানে গনতন্ত্রই একমাত্র ভূমিকা রাথে .রাজনৈতিক ও অর্থনৈতীক বিষয়ে আধুনীকিকরন উল্লেখ করে মেদভেদেব বলেন,আধুনিকীকরন বিষয়ে স্বয়ং জনগন অংশ গ্রহন করে, শুধুমাত্র রাজনৈতীক দল বা রাষ্ট্র নয়.মন্ত্রী ও ব্যবসায়ীদের বুঝতে হবে যে, আধুনিকীকরনই দিনের প্রতিপাদ্য বিষয় নয়.সরাসরি কার্যকারিতার নেতৃত্ব প্রদান করতে হবে.ইয়ারোস্লাভল ফোরামে মতামতের আদান-প্রদান ও খোলামেলা আলোচনাকে উপকারী বলে উল্লেখ করেন উরবিন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর রবার্ট স্কিদেলস্সকী.তিনি বলেন, রাশিয়া বিশ্ব অর্থনৈতীক ব্যবস্থায় একসারি গুরুত্বপূর্ণ মতামত প্রদান করেছে,এছাড়াও চীন ও জাপানের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ারও কথা বলে.শুধুমাত্র মার্কিন ডলারের উপর নির্ভর না করা.এছাড়া আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার বিষয়ে রাশিয়া বিশেষ অবদান রেখে চলছে.রশিয়া কার্যকারি অবদান রাখা শুরু করেছে.ফোরামের একটি প্রশ্ন ছিল ইউরোপীয় নিরাপত্তা বিষয়টি.যদিও ইউরোপে নতুন নিরাপত্তার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র দিমিত্রি মেদভেদেবের মতামতের সাথে একমত না হলেও বিখ্যাত মার্কিন বিশেষজ্ঞ টম গ্রেম এই বিষয়ে আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ মতামত দেন.তিনি বলেন ,উভয় পক্ষকেই ঐক্যমতে পৌঁছাতে হবে,নিরাপত্তর প্রশ্নে দরকার একই ব্যবস্থা এবং ইউরোপীয় নিরাপত্তার যা ছিল আলোচনার অন্যতম বিষয়.প্রতি বছরই তা পরিবর্তন হতে পারে মার্কিন,রুশি ও ইউরোপীয়দের শীর্ষ বৈঠকের মাধ্যমে.ইয়ারোস্লাভলের ফোরামে মিলিত রাজনৈতীক ব্যক্তিত্ব,ব্যাবসায়ী ও রাষ্ট বিজ্ঞানীরা যে বিষয়টি ব্যখ্যা করেছেন তা হল-রাষ্ট্র একটি আলোচনার প্রতিষ্ঠান.সর্বশেষ অর্থনৈতীক মন্দা থেকে যে বিষয়টি পরিষ্কার হল তা হচ্ছে,রাষ্ট্রের কার্যকারিতা ছাড়া অর্থনৈতীক ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা অর্জন করা সম্ভব না.এবং যখন আজ মন্দা প্রায় নেই বললেই চলে ঠিক তখন আধুনিকীকরন বিষয়ে যে প্রশ্ন দাড়িয়েছে তা হল নতুন কৌশলগত রাষ্ট্র ও সমাজ.শুধুমাত্র রাশিয়াতেই নয় বরং অন্য রাষ্ট্রের ক্ষেত্রেও.