বৈকাল হ্রদে আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক অভিযাত্রার তৃতীয় পর্যায় শেষ হয়েছে. হ্রদের তলদেশে "মীর" সরঞ্জামের শেষ নিমজ্জনের সময় দেখা গিয়েছিল চকমকে জিনিস, যা সোনার বাটের কথা মনে করিয়ে দেয়. মীর সরঞ্জামের কর্মীরা ম্যানুপুলেটারের সাহায্যে হ্রদের তলদেশ থেকে তা তোলার চেষ্টা করেন কিন্তু ফল পাওয়া যায় নি. অভিযাত্রার অংশগ্রহণকারীদের অনুমান যে, এগুলিই হল অ্যাডমিরাল কলচাকের সোনা. মনে করা হয় যে, রাশিয়ার স্বর্ণভাণ্ডারের একাংশ যা কলচাক কাজান শহর থেকে নিয়ে যাচ্ছিলেন, হারিয়ে যায় সাইবেরিয়ায় অথবা রয়েছে বৈকাল হ্রদের তলদেশে, যার উপকূলের কাছে মূল্যবান মালবাহী ট্রেন লাইন ছেড়ে উল্টে যায়. অভিযাত্রার শেষ- তৃতীয় পর্যায়ের কাজের সময় প্রধান মনোযোগ দেওয়া হয় পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর মিঠে জলের হ্রদের জল-এলাকার বৈজ্ঞানিক অধ্যয়নের প্রতি.