বৈকাল হ্রদে আজ "মীর-১" ও "মীর-২" সরঞ্জাম ব্যবহার করে গভীর জলে অধ্যয়ন শেষ হচ্ছে, জানিয়েছে "ইতার-তাস" সংবাদ সংস্থা. শেষ নিমজ্জন হচ্ছে ক্রুগোবৈকাল রেলপথের উপকূলবর্তী ঢালের অঞ্চলে. ২০০৯ সালে সেখানে পাওয়া গিয়েছিল রেল-ওয়াগনের অংশ এবং গৃহযুদ্ধের সময়কার গোলাগুলি সম্বলিত বাক্স. লোক-কথা অনুযায়ী, সেখানে থাকতে পারে তথাকথিত কলচাকের সোনা- পুবদিকে পশ্চাদপসরণ করা অ্যাডমিরাল কলচাকের শ্বেতবাহিনী সম্বলিত ট্রেনের দুর্ঘটনা হয়েছিল এবং মূল্যবান মালপত্র হ্রদে গিয়ে পড়েছিল. পয়লা জুলাই শুরু হওয়া বৈকাল হ্রদে শেষ-তৃতীয় মরশুমে অভিযাত্রার সময় প্রধান মনোযোগ দেওয়া হয় পৃথিবীর এই বৃহত্তম মিঠে জলের হ্রদের বৈজ্ঞানিক অধ্যয়নের প্রতি.