আধুনিক রাষ্ট্রের গণতন্ত্রের মান এবং ফলপ্রসূতার মানদণ্ড ৯-১০ই সেপ্টেম্বর ইয়ারোস্লাভলে আলোচনা করবেন সারা পৃথিবীর রাজনীতিজ্ঞ, ব্যবসায়ী ও সামাজিক কর্মীরা. তাঁরা সমবেত হবেন বিশ্ব রাজনৈতিক সম্মেলনে, কোন দিকে রাষ্ট্রের বিকাশ হওয়া উচিত এ বিষয় নিরূপণ জন্য, যাতে একদিকে নিজের নাগরিকদের অধিকার ও স্বাধীনতার সুনিশ্চিত করা যায়, আর অন্যদিকে- দ্রুত পরিবর্তনশীল জগতে প্রতিদ্বন্দ্বিতাক্ষম ও দায়িত্বশীল থাকা যায়.

   এই দ্বিতীয় বার ইয়ারোস্লাভলে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে. গত বছরে তা বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক ও বুদ্ধিজীবী মহলের এত বিপুল মনোযোগ আকর্ষণ করেছিল যে, এ বছরে তা বিশ্বব্যাপী অনুষ্ঠানে পরিণত হয়েছে এবং তা দু দিন ধরে চলবে.

   দুটি পূর্ণাঙ্গ বৈঠক ছাড়া, যাতে বিদ্যমান রাষ্ট্রনেতা হিসেবে বক্তৃতা দেবেন রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দমিত্রি মেদভেদেভ, ইতালির প্রধানমন্ত্রী সিলভিও বের্লুস্কোনি, দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি লি মেন বাক, চারটি শাখা থাকবে. আর অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা এত যে, প্রত্যেক শাখার কাজ চলবে চার ঘন্টা ধরে, গত বছরের মতো দু ঘন্টা করে নয়, যাতে আরও বিস্তৃত বিতর্ক হতে পারে. এ সম্বন্ধে অনুষ্ঠানের সরকারী শরিক হিসেবে রেডিও রাশিয়াকে বলেন একটি শাখার মডারেটার, সামাজিক পরিকল্পনা ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর, এক্সপার্ নামে পত্রিকার মুখ্য সম্পাদক ভালেরি ফাদেয়েভঃ

   শাখা গুলিতে চারটি ধারা বিবেচিত হবে. প্রথম- প্রাকৌশলিক আধুনিকীকরণের হাতিয়ার হিসেবে রাষ্ট্র. রাশিয়ার জন্য এটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, এখানে অন্যান্য দেশের অভিজ্ঞতা খুবই মূল্যবান. সেইজন্য আমরা আশা করি যে, এ সম্মেলন প্রায়োগিক দিক থেকেও আমাদের জন্য উপকারী হবে. দ্বিতীয় শাখা- গণতন্ত্রের মান এবং গণতান্ত্রিক অভিজ্ঞতার বৈচিত্র্য. গণতন্ত্রের মান বলতে আমরা বুঝি পরিচালনার নিজস্ব গণতান্ত্রিক রূপের বিন্যাসই শুধু নয়. এ সমস্যাকে আমরা বিস্তৃতভাবে দেখি. এ হল জীবনের গুণগত মান, আইন ও শৃঙ্খলা রক্ষার মান, শিক্ষার মান. অবশ্যই এ মান সেই সব রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ক্ষুন্ন করে না , যারা তা আলোচনা করবে এবং নিজের উপর নির্দিষ্ট দায়িত্ব গ্রহণ করবে. তৃতীয় শাখা- নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ এবং আন্তর্জাতিক আইনের ধারণা. আর চতুর্থ শাখা- বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তার আঞ্চলিক ব্যবস্থা.

   সম্মেলনের পরে সমস্ত অংশগ্রহণকারীকে আমন্ত্রণ করা হবে ইয়ারোস্লাভল শহরের জয়ন্তী উত্সবে. এ সময়ে তার ১০০০ বছর পূর্ণ হবে.