রাশিয়ার অল্পবয়সী খেলোয়াড়েরা নানা ধরনের প্রতিযোগিতায় দারুণ ফল করছে. রাশিয়ার ১৬ বছরের কম বয়সী মেয়েদের দল গ্রীসে রবিবার ইউরোপীয় বাস্কেটবল চ্যাম্পিয়নশীপে ফাইনাল ম্যাচে ক্রোয়েশিয়া দেশের দলকে হারিয়ে দিয়েছে. সিঙ্গাপুরে বিশ্ব কিশোর অলিম্পিকে রাশিয়ার দল আরও ছটি পদক জিতেছে. বিশেষজ্ঞরা খুশী হয়ে বলেছেন অলিম্পিকের বদলী খেলোয়াড়েরা তৈরী হচ্ছে.    রবিবার সত্যই পদকের বিষয়ে খুবই ধনী দিন ছিল. রাশিয়ার মেয়ে বাস্কেটবল খেলোয়াড়েরা ক্রোয়েশিয়ার দলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, দাঁড় টানা নৌকা ও ক্যানো নৌকা চালানোর বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশীপে পোল্যান্ডে রাশিয়ার দল একসাথে ১১টি পদক জয় করেছে.    প্রথম কিশোর অলিম্পিক গেমস প্রতিযোগিতায় প্রতিটি ধরনের পদক দুটি করে জিতেছে রাশিয়ার ১৮ বছরের চেয়ে কম বয়সী ছেলেমেয়েরা সিঙ্গাপুরে. তাদের জমা এর মধ্যে ৪১টি পদক, তার মধ্যে ১৭টি সোনা. বেসরকারি পদক জয়ের হিসাবে রাশিয়া এখন শুধু চীনের চেয়ে পিছিয়ে আছে. কিন্তু রাশিয়ার যুব সমাজ, আর কিশোর অলিম্পিক গেমসে প্রতিযোগিতায় যারা নেমেছে, তাদের বয়স ১৪ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে সীমাবদ্ধ, সব ধরনের প্রতিযোগিতাতেই দারুণ ফল দেখিয়েছে. তারা কুস্তী, তরোয়াল খেলা, টেনিস, ওজন তোলা, সাঁতার ও জিমন্যাসস্টিকস্ প্রতিযোগিতায় সেরা হয়েছে. দেশের যুব অলিম্পিক দলের তথ্য ও জনসংযোগ সচিব ও সিনক্রোনাস সাঁতারে তিন বারের অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন মারিয়া কিসেলিয়োভা বলেছেন:    "ছেলেমেয়েরা সত্যই খুব ভাল, আর তাদের ফলও পরিস্কার তা প্রমাণ করে দিয়েছে. সেই সব ছেলেমেয়েরা, যারা আজ সিঙ্গাপুরে প্রথম কিশোর অলিম্পিকে প্রতিযোগিতায় নেমেছে, তারা ভবিষ্যতের জন্য একটা কাজ এগিয়ে রাখল. এখানে এই বয়সের ছেলেমেয়েদের মধ্যে সব চেয়ে ভালরাই নেমেছে, তাই সবচেয়ে বড় কাজ হবে এটা ধরে রাখা, তাদের বড়দের প্রতিযোগিতা পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া, যাতে তারা পরে বড়দের অলিম্পিকের সময়ে সাফল্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় জয়ী হতে পারে আর যারা তাদের জন্য সাপোর্ট করবে, তারা যেন খুশী হতে পারে. আমি জানি, আজ সাঁতারের দল, যারা সিঙ্গাপুরে নেমে দারুণ ফল করেছে, তারাও বড়দের মূল দলের সঙ্গে সমান্তরাল ভাবে লন্ডন অলিম্পিকের জন্য তৈরী হবে, আর তাই আমি মনে করি, এটা আলাদা রকমের প্রতিযোগিতা তৈরী করবে দলে সুযোগ পাওয়ার জন্য. আর প্রতিযোগিতা থাকলে সব সময়েই ফলের উন্নতি হয়. তাই আমি শুধু সৌভাগ্য আশাই করতে পারি".    খেলাধূলায় কিশোর বয়সকে মনে করা হয় পরিবর্তনের, অনেক খেলোয়াড়ই বয়ঃসন্ধির সময়ে পেরে ওঠে না, একদল শারীরিক পরিশ্রমের ভার সহ্য করতে পারে না ফলে আগাত পায়, অন্যরা – মানসিক চাপের ফলে খেলাধূলাই ছেড়ে দেয়. আমরা আশা করব রাশিয়ার অল্প বয়সী ছেলেমেয়েরা খুব উঁচু মানের ফল করবে আর আমরা খুব শীঘ্রই তাদের বড় প্রতিযোগিতায় দেখতে পাবো.