ইয়ারোস্লাভল শহরের এই বছরে প্রতিষ্ঠার হাজার বছর ও আবারও তৈরী হচ্ছে বিশ্বের রাজনৈতিক এলিট দের সাক্ষাতের জায়গা হিসাবে. ৯ – ১০ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয়বার আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সম্মেলন এখানে হতে চলেছে, যার বিষয় এই রকম ঠিক করা হয়েছে: "আধুনিক রাষ্ট্র: গণতন্ত্রের একক ও সাফল্যের মাপকাঠি".রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দিমিত্রি মেদভেদেভের উদ্যোগে গত বছরে ইয়ারোস্লাভল শহরে এই ফোরামের আয়োজন করা হয়েছিল বর্তমানের প্রশাসনের ভবিষ্যত নিয়ে আলোচনা করার জন্য. এখানে দ্বিতীয় বারে আসছেন বিভিন্ন দেশের সরকারি নেতা, রাজনীতি ও অর্থনীতি ও আইন বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা. তাঁরা আলোচনা করবেন বর্তমানের বিশ্বে আধুনিক রাষ্ট্রের ভূমিকা এবং একবিংশ শতাব্দীতে বিশ্বের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিয়ে. রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইউরোপীয় আইন ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর মার্ক এন্তিন এই প্রসঙ্গে বলেছেন:"নিরাপত্তার জন্য ভাল কার্যকরী ব্যবস্থা করতে গেলে আগে জানতে হবে কি ধরনের বিপদের ক্ষেত্রে এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রতিক্রিয়া ও কাজ করবে. তার জন্যই সমস্ত কিছু তৈরী করতে হবে. আন্তর্জাতিক আইন কি নিজে থেকেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা হতে পারে, যা বিপদের মূহুর্তে প্রতিক্রিয়া করবে? দেখাই যাচ্ছে যে, এর উত্তর নেতিবাচক. অর্থাত্, আমাদের দরকার সমস্ত রকমের বিপদ নিয়ে কথা বলার, কিন্তু তার আগে দরকার কথা বলার সেই ব্যবস্থা বা অস্ত্র নিয়ে, যা এই সমস্ত বিপদের সময় প্রতিক্রিয়া করবে".আজকের দিনে কোন একটি দেশের শক্তিতে নিরাপত্তা বহাল করা সম্ভব নয়, বিশ্ব বহু দিন হল বহু কেন্দ্রিক হয়ে গিয়েছে, তাই মার্ক এন্তিন মনে করে বলেছেন:"আজ কোন রাজনৈতিক নেতা বা কোন একটি দেশ একা বলতে পারে না, যে, এটা ভাল বা ওটা মন্দ, এটা ঠিক বা ওটা বেঠিক. বিশ্বের গত কয়েক বছরের পরিবর্তন সকলকে দেখিয়ে দিয়েছে যে, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কি করা উচিত নয়, কি করে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক কে কানা গলিতে নিয়ে যাওয়া যেতে পারে, কি করে সকলের মধ্যেই শত্রুতা তৈরী করা যেতে পারে, যার সঙ্গে খুশী, আর কি করে এই সব থেকে বেরোনো যেতে পারে".আপাততঃ এই সম্মেলন তার প্রতিষ্ঠার সময়ে রয়েছে. কিন্তু তার সমস্ত রকমের সম্ভাবনা আছে এমন এক জায়গা হতে, যেখানে রাশিয়া ও অন্যান্য দেশের বুদ্ধিজীবিরা তাঁদের মত বিনিময় করতে পারেন, এমনকি জনসমক্ষে তা প্রকাশ না করেও.